বাংলাদেশে বসছে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের সবচেয়ে বড় আঞ্চলিক আসর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। কিন্তু প্রতিযোগিতায় শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে ভারতের হয়ে মাঠে নামবে না দেশটির সিনিয়র জাতীয় দল। তাদের পরিবর্তে অনূর্ধ্ব-২৩ দল পাঠিয়েছে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (এআইএফএফ)। প্রশ্ন উঠেছে, সাফের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতায় কেন ভারতের মূল দলের বদলে জুনিয়রদের খেলানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো?
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দল নির্বাচনের পেছনে রয়েছে আন্তর্জাতিক সূচি ও খেলোয়াড় ছাড়ার জটিলতা। ভারতের সিনিয়র জাতীয় দল নভেম্বরে নিউজিল্যান্ড সফরে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে। অকল্যান্ড ও ক্রাইস্টচার্চে ম্যাচ দুটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ১২ ও ১৫ নভেম্বর। একই সময়ে চলবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপও। ফলে সিনিয়র দলের খেলোয়াড়দের নিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল।
এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল ক্লাবগুলোর খেলোয়াড় ছাড়ার প্রশ্ন। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফিফার আন্তর্জাতিক ম্যাচের নির্ধারিত উইন্ডোর বাইরে হওয়ায় মোহনবাগানসহ ভারতের বিভিন্ন ক্লাব তাদের খেলোয়াড়দের জাতীয় দলের জন্য ছাড়বে কি না, তা নিয়ে সংশয় ছিল। শেষ পর্যন্ত অনূর্ধ্ব-২৩ দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় এআইএফএফ।
দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ভারতের সাবেক ফুটবলার নৌশাদ মুসা। ভারতীয় দল আগামী ৩ নভেম্বর বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা। সূচি অনুযায়ী, ৫ নভেম্বর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তাদের সাফ যাত্রা শুরু হবে। এরপর ১১ নভেম্বর মালদ্বীপের মুখোমুখি হবে দলটি। সেই মিশনে অংশ নিতে আজই ঢাকায় এসেছে ভারতীয় ফুটবল দল।
এবারের প্রতিযোগিতায় ছয়টি দল অংশ নিচ্ছে। ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও ভুটান। ‘বি’ গ্রুপে ভারতের সঙ্গে রয়েছে পাকিস্তান ও মালদ্বীপ। ফিফার নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকায় নেপাল এবারের আসরে অংশ নিচ্ছে না।
ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দল পাঠানোর ঘটনা অবশ্য নতুন নয়। ২০০৯ সালেও বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে এই বয়সভিত্তিক দল পাঠিয়েছিল ভারত। সেবার মালদ্বীপকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল তারা। এবারও শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে ভারতীয় দল।


























