মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০৫:২১ অপরাহ্ন | ৩রা নভেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | মঙ্গলবার, ১৮ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

বিদায়ের মঞ্চ পেলেন না অস্ট্রেলিয়ার ‘বিগ শো’ ম্যাক্সওয়েল

  • হালনাগাদ সময় : ০৪:০৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

বিদায়টা হয়তো এমন হওয়ার কথা ছিল না! নিজের শহর মেলবোর্নের ঐতিহাসিক ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে শেষবার মাঠে নামার ইচ্ছা ছিল গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের। বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের জন্য ক্রিকেটবিশ্বে যিনি পরিচিত ‘বিগ শো’ নামে! চেয়েছিলেন দেশের মাটিতে সতীর্থ ও সমর্থকদের সামনে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানতে। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর পূরণ হচ্ছে না। বিদায়ী ম্যাচের অপেক্ষা না করেই ৩৮ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার এই তারকা অলরাউন্ডার!

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি প্রথম শ্রেণি ও লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেট থেকেও সরে দাঁড়িয়েছেন ম্যাক্সওয়েল। তবে পুরোপুরি ব্যাট-প্যাড তুলে রাখছেন না। মেলবোর্ন স্টার্সের হয়ে বিগ ব্যাশ লিগে খেলা চালিয়ে যাবেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দলের জার্সিতে আর দেখা না গেলেও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে এখনো দর্শকদের মাতানোর সুযোগ থাকছে তার সামনে।

ম্যাক্সওয়েলের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষটা হয়েছে চলতি বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। ওমানের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বে অস্ট্রেলিয়ার শেষ ম্যাচটিই ছিল তার শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ। সেদিন ব্যাট হাতে নামার সুযোগ না পেলেও বল হাতে নিয়েছিলেন দুটি উইকেট। অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ অভিযানও শেষ হয়েছিল গ্রুপ পর্বে। সেই ম্যাচের পর আর জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নামা হয়নি তার!

গত বছরের জুনে ওয়ানডে ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছিলেন ম্যাক্সওয়েল। তবে টি-টোয়েন্টিতে খেলার দরজা খোলা রেখেছিলেন। বিশ্বকাপেও খেলেছেন। কিন্তু এরপর অস্ট্রেলিয়া দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং তরুণ ক্রিকেটারদের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

দ্য ফাইনাল ওয়ার্ড পডকাস্টে নিজের অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন ম্যাক্সওয়েল। জানালেন, জাতীয় দলের ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে অবসরের কোনো চাপ ছিল না। বরং আলোচনা করেই ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ম্যাক্সওয়েল বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ও পরে আমাদের মধ্যে অনেক আলোচনা হয়েছে। আলোচনাগুলো ছিল বেশ খোলামেলা। অস্ট্রেলিয়া দলের ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে কোনো চাপ ছিল না। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, দরজাটা খোলা রাখব। সামনে কয়েকটি সিরিজ ছিল এবং তারা ভবিষ্যতের দিকে তাকাচ্ছিল। বাংলাদেশেও আমরা সেটি দেখেছি। ছেলেরা সুযোগ পেয়েছে এবং খুব ভালো পারফরম্যান্স করেছে।’

তবে অবসরের আগে নিজের ঘরের মাঠে একটি বিদায়ী ম্যাচ খেলার ক্ষীণ আশা ছিল তার। মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এমসিজি) শেষবার অস্ট্রেলিয়ার হয়ে মাঠে নামার সুযোগ পেলে সেটি হতো বিশেষ কিছু। কিন্তু দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কাছে নিজের সেই ইচ্ছাকে আর বড় করে দেখেননি ম্যাক্সওয়েল।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এমসিজি) বিদায়ী ম্যাচ খেলার ক্ষীণ আশা ছিল, কিংবা এ নিয়ে কিছু আলোচনা হয়েছিল। তবে এই দল নিয়ে তারা যে পথে এগোচ্ছে, তা আমি পুরোপুরি বুঝতে পারছি। ২০২৮ সালের অলিম্পিক সামনে থাকায় আগামী ১২ থেকে ২৪ মাসে অনেক কিছু বদলে যাবে বলে আমার মনে হয়।’

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

যাত্রী থেকে বিমানকর্মী—সবাই বাহক: শাহজালালে ৯ মাসে ৬০ কেজি স্বর্ণ জব্দ, নেপথ্যে শক্তিশালী সিন্ডিকেট

03 November 2026

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বঙ্গভবনে প্রধানমন্ত্রী

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

বিদায়ের মঞ্চ পেলেন না অস্ট্রেলিয়ার ‘বিগ শো’ ম্যাক্সওয়েল

হালনাগাদ সময় : ০৪:০৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

বিদায়টা হয়তো এমন হওয়ার কথা ছিল না! নিজের শহর মেলবোর্নের ঐতিহাসিক ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে শেষবার মাঠে নামার ইচ্ছা ছিল গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের। বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের জন্য ক্রিকেটবিশ্বে যিনি পরিচিত ‘বিগ শো’ নামে! চেয়েছিলেন দেশের মাটিতে সতীর্থ ও সমর্থকদের সামনে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানতে। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর পূরণ হচ্ছে না। বিদায়ী ম্যাচের অপেক্ষা না করেই ৩৮ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার এই তারকা অলরাউন্ডার!

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি প্রথম শ্রেণি ও লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেট থেকেও সরে দাঁড়িয়েছেন ম্যাক্সওয়েল। তবে পুরোপুরি ব্যাট-প্যাড তুলে রাখছেন না। মেলবোর্ন স্টার্সের হয়ে বিগ ব্যাশ লিগে খেলা চালিয়ে যাবেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দলের জার্সিতে আর দেখা না গেলেও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে এখনো দর্শকদের মাতানোর সুযোগ থাকছে তার সামনে।

ম্যাক্সওয়েলের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষটা হয়েছে চলতি বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। ওমানের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বে অস্ট্রেলিয়ার শেষ ম্যাচটিই ছিল তার শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ। সেদিন ব্যাট হাতে নামার সুযোগ না পেলেও বল হাতে নিয়েছিলেন দুটি উইকেট। অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ অভিযানও শেষ হয়েছিল গ্রুপ পর্বে। সেই ম্যাচের পর আর জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নামা হয়নি তার!

গত বছরের জুনে ওয়ানডে ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছিলেন ম্যাক্সওয়েল। তবে টি-টোয়েন্টিতে খেলার দরজা খোলা রেখেছিলেন। বিশ্বকাপেও খেলেছেন। কিন্তু এরপর অস্ট্রেলিয়া দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং তরুণ ক্রিকেটারদের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

দ্য ফাইনাল ওয়ার্ড পডকাস্টে নিজের অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন ম্যাক্সওয়েল। জানালেন, জাতীয় দলের ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে অবসরের কোনো চাপ ছিল না। বরং আলোচনা করেই ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ম্যাক্সওয়েল বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ও পরে আমাদের মধ্যে অনেক আলোচনা হয়েছে। আলোচনাগুলো ছিল বেশ খোলামেলা। অস্ট্রেলিয়া দলের ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে কোনো চাপ ছিল না। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, দরজাটা খোলা রাখব। সামনে কয়েকটি সিরিজ ছিল এবং তারা ভবিষ্যতের দিকে তাকাচ্ছিল। বাংলাদেশেও আমরা সেটি দেখেছি। ছেলেরা সুযোগ পেয়েছে এবং খুব ভালো পারফরম্যান্স করেছে।’

তবে অবসরের আগে নিজের ঘরের মাঠে একটি বিদায়ী ম্যাচ খেলার ক্ষীণ আশা ছিল তার। মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এমসিজি) শেষবার অস্ট্রেলিয়ার হয়ে মাঠে নামার সুযোগ পেলে সেটি হতো বিশেষ কিছু। কিন্তু দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কাছে নিজের সেই ইচ্ছাকে আর বড় করে দেখেননি ম্যাক্সওয়েল।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এমসিজি) বিদায়ী ম্যাচ খেলার ক্ষীণ আশা ছিল, কিংবা এ নিয়ে কিছু আলোচনা হয়েছিল। তবে এই দল নিয়ে তারা যে পথে এগোচ্ছে, তা আমি পুরোপুরি বুঝতে পারছি। ২০২৮ সালের অলিম্পিক সামনে থাকায় আগামী ১২ থেকে ২৪ মাসে অনেক কিছু বদলে যাবে বলে আমার মনে হয়।’

Share this news as a Photo Card