মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
১১:০২ অপরাহ্ন | ৩রা নভেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | মঙ্গলবার, ১৮ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

ছোট ভাই হত্যা মামলায় বড় ভাই গ্রেফতার

  • হালনাগাদ সময় : ০৯:৪৬:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

দিনাজপুরের বিরামপুরে আবাদি জমিতে ময়লা ফেলা নিয়ে বিরোধের জেরে ছোট ভাই মুকুল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি বড় ভাই এ টি এম শামসুজ্জামানকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৩।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় এসআরবি-১৩।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার দিবাগত রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে রংপুর মহানগরীর কোতোয়ালি থানাধীন উত্তম স্কুল অ্যান্ড কলেজ মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে পঞ্চগড় থেকে ঢাকাগামী একটি বাসে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার এ টি এম শামসুজ্জামান বিরামপুর উপজেলার কৃষ্ণচাঁদপুর গ্রামের মৃত মনির উদ্দিনের ছেলে। তিনি পলিপ্রয়াগপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, জমি নিয়ে মুকুল হোসেনের সঙ্গে তার ভাইদের আগে থেকেই বিরোধ ছিল। পলিপ্রয়াগপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে একটি জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করতেন মুকুল। অভিযোগ রয়েছে, একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তার মেজো ভাই এ টি এম শামসুজ্জামান শিক্ষার্থীদের টিফিনের উচ্ছিষ্ট, ছেঁড়া কাগজ ও ময়লা-আবর্জনা মুকুলের ধানখেতে ফেলতেন। এতে ফসলের ক্ষতি হওয়ায় গত ৫ অক্টোবর বিষয়টি জানাতে মুকুল বিদ্যালয়ে যান। এ সময় শামসুজ্জামানের সঙ্গে মুকুল ও তার স্ত্রীর বাগ্‌বিতণ্ডা হয়।

পরে শামসুজ্জামান বিষয়টি তার বড় ভাই দেলোয়ার হোসেনসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের জানান। এতে তারা মুকুলের ওপর ক্ষিপ্ত হন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, ওই দিন রাতে বাজার থেকে স্ত্রী মাহমুদাকে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে এ টি এম শামসুজ্জামানসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা সংঘবদ্ধ হয়ে মুকুলকে বেধড়ক মারধর করেন। এ সময় তার স্ত্রীকেও মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় মুকুলকে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ৯টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে গত ৬ অক্টোবর বিরামপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনায় আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে এসআরবি-১৩।

এরই ধারাবাহিকতায় এসআরবি-১৩-এর সিপিসি-১, দিনাজপুর ক্যাম্প ও সিপিএসসি, রংপুরের একটি যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করে।

এসআরবি-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেফতার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

মসজিদে নববিতে নারীদের ধর্মীয় আলোচনা শোনার বিশেষ ব্যবস্থা

03 November 2026

ধানমন্ডিতে বহুতল আবাসিক ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ২ ইউনিট

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

ছোট ভাই হত্যা মামলায় বড় ভাই গ্রেফতার

হালনাগাদ সময় : ০৯:৪৬:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

দিনাজপুরের বিরামপুরে আবাদি জমিতে ময়লা ফেলা নিয়ে বিরোধের জেরে ছোট ভাই মুকুল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি বড় ভাই এ টি এম শামসুজ্জামানকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৩।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় এসআরবি-১৩।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার দিবাগত রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে রংপুর মহানগরীর কোতোয়ালি থানাধীন উত্তম স্কুল অ্যান্ড কলেজ মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে পঞ্চগড় থেকে ঢাকাগামী একটি বাসে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার এ টি এম শামসুজ্জামান বিরামপুর উপজেলার কৃষ্ণচাঁদপুর গ্রামের মৃত মনির উদ্দিনের ছেলে। তিনি পলিপ্রয়াগপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, জমি নিয়ে মুকুল হোসেনের সঙ্গে তার ভাইদের আগে থেকেই বিরোধ ছিল। পলিপ্রয়াগপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে একটি জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করতেন মুকুল। অভিযোগ রয়েছে, একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তার মেজো ভাই এ টি এম শামসুজ্জামান শিক্ষার্থীদের টিফিনের উচ্ছিষ্ট, ছেঁড়া কাগজ ও ময়লা-আবর্জনা মুকুলের ধানখেতে ফেলতেন। এতে ফসলের ক্ষতি হওয়ায় গত ৫ অক্টোবর বিষয়টি জানাতে মুকুল বিদ্যালয়ে যান। এ সময় শামসুজ্জামানের সঙ্গে মুকুল ও তার স্ত্রীর বাগ্‌বিতণ্ডা হয়।

পরে শামসুজ্জামান বিষয়টি তার বড় ভাই দেলোয়ার হোসেনসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের জানান। এতে তারা মুকুলের ওপর ক্ষিপ্ত হন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, ওই দিন রাতে বাজার থেকে স্ত্রী মাহমুদাকে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে এ টি এম শামসুজ্জামানসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা সংঘবদ্ধ হয়ে মুকুলকে বেধড়ক মারধর করেন। এ সময় তার স্ত্রীকেও মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় মুকুলকে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ৯টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে গত ৬ অক্টোবর বিরামপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনায় আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে এসআরবি-১৩।

এরই ধারাবাহিকতায় এসআরবি-১৩-এর সিপিসি-১, দিনাজপুর ক্যাম্প ও সিপিএসসি, রংপুরের একটি যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করে।

এসআরবি-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেফতার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

Share this news as a Photo Card