মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
১১:০১ অপরাহ্ন | ৩রা নভেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | মঙ্গলবার, ১৮ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলা: বন্ধু দীপের ফের ৭ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

  • হালনাগাদ সময় : ০৪:২৩:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরি (২৭) হত্যা মামলায় চার দিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপকে (২৩) আদালতে হাজির করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে মামলার রহস্য উদঘাটন, হত্যাকাণ্ডের স্থান শনাক্ত ও জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারসহ আটটি কারণ দেখিয়ে তাঁকে ফের সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা টঙ্গী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ আবেদন করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন।

তদন্ত কর্মকর্তা আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটটি কারণ উল্লেখ করেছেন।

১. সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই: বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করা প্রাসঙ্গিক সিসিটিভি ফুটেজ দীপকে দেখিয়ে তাঁর উপস্থিতি ও চলাচলের তথ্য যাচাই-বাছাই এবং বিশ্লেষণ করা।

২. বারে অবস্থানকালে যোগাযোগ: তাহসিফের সঙ্গে Nest Bar & Restaurant-এ অবস্থানকালে দীপ কিছু সময়ের জন্য অন্যত্র সরে গিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট কোথায় এবং কার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন, তা শনাক্ত করা।

৩. মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড বিশ্লেষণ: তাহসিফ, দীপসহ সংশ্লিষ্ট অন্যদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের কল ডিটেইলস রেকর্ড (সিডিআর) সংগ্রহ করে পর্যালোচনা করা।

৪. হত্যার রহস্য উদঘাটন: জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা ও এর পেছনের রহস্য উদঘাটন।

৫. অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার: মামলার অজ্ঞাতনামা অন্য আসামিদের পরিচয় শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা।

৬. আলামত উদ্ধার: হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করা।

৭. হত্যার উদ্দেশ্য অনুসন্ধান: তাহসিফকে হত্যার সম্ভাব্য উদ্দেশ্য বা মোটিভ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা।

৮. হত্যাকাণ্ডের স্থান শনাক্ত: তাহসিফকে কোথায় এবং কীভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা শনাক্ত করা।

এর আগে গত ৩১ অক্টোবর থেকে চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে দীপকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।

রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, জিজ্ঞাসাবাদে দীপ জানিয়েছেন, গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টার দিকে তিনি তাহসিফকে তাঁর বাসা থেকে ডেকে বাইরে নিয়ে যান। পরে তাহসিফ, দীপ ও মামলার আরেক সন্দিগ্ধ আসামি জেরিকা তাসনিম দিশা (১৯) একসঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাফেরা করেন। একপর্যায়ে দিশা বাসায় চলে যান।

দীপের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২৮ অক্টোবর রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে তাহসিফ ও তিনি টঙ্গীর মাজার বস্তিতে পৌঁছান। সেখান থেকে বস্তির ভেতর দিয়ে তুরাগ নদীর তীরবর্তী একটি মাঠে যান। পরে মাঠে কয়েকজন লোকজনের উপস্থিতি দেখে তাঁরা আলাদা হয়ে যান বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন দীপ।

তদন্ত কর্মকর্তা আরও দাবি করেন, জিজ্ঞাসাবাদে দীপ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। সেগুলো তদন্তের স্বার্থে গোপন রেখে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তবে তিনি অত্যন্ত কৌশলে কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেছেন এবং কিছু বিষয়ে নীরবতা পালন করেছেন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, ঘটনার আগে তাহসিফকে দীপ ও দ

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

মসজিদে নববিতে নারীদের ধর্মীয় আলোচনা শোনার বিশেষ ব্যবস্থা

03 November 2026

ধানমন্ডিতে বহুতল আবাসিক ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ২ ইউনিট

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলা: বন্ধু দীপের ফের ৭ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

হালনাগাদ সময় : ০৪:২৩:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরি (২৭) হত্যা মামলায় চার দিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপকে (২৩) আদালতে হাজির করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে মামলার রহস্য উদঘাটন, হত্যাকাণ্ডের স্থান শনাক্ত ও জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারসহ আটটি কারণ দেখিয়ে তাঁকে ফের সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা টঙ্গী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ আবেদন করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন।

তদন্ত কর্মকর্তা আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটটি কারণ উল্লেখ করেছেন।

১. সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই: বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করা প্রাসঙ্গিক সিসিটিভি ফুটেজ দীপকে দেখিয়ে তাঁর উপস্থিতি ও চলাচলের তথ্য যাচাই-বাছাই এবং বিশ্লেষণ করা।

২. বারে অবস্থানকালে যোগাযোগ: তাহসিফের সঙ্গে Nest Bar & Restaurant-এ অবস্থানকালে দীপ কিছু সময়ের জন্য অন্যত্র সরে গিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট কোথায় এবং কার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন, তা শনাক্ত করা।

৩. মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড বিশ্লেষণ: তাহসিফ, দীপসহ সংশ্লিষ্ট অন্যদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের কল ডিটেইলস রেকর্ড (সিডিআর) সংগ্রহ করে পর্যালোচনা করা।

৪. হত্যার রহস্য উদঘাটন: জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা ও এর পেছনের রহস্য উদঘাটন।

৫. অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার: মামলার অজ্ঞাতনামা অন্য আসামিদের পরিচয় শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা।

৬. আলামত উদ্ধার: হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করা।

৭. হত্যার উদ্দেশ্য অনুসন্ধান: তাহসিফকে হত্যার সম্ভাব্য উদ্দেশ্য বা মোটিভ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা।

৮. হত্যাকাণ্ডের স্থান শনাক্ত: তাহসিফকে কোথায় এবং কীভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা শনাক্ত করা।

এর আগে গত ৩১ অক্টোবর থেকে চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে দীপকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।

রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, জিজ্ঞাসাবাদে দীপ জানিয়েছেন, গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টার দিকে তিনি তাহসিফকে তাঁর বাসা থেকে ডেকে বাইরে নিয়ে যান। পরে তাহসিফ, দীপ ও মামলার আরেক সন্দিগ্ধ আসামি জেরিকা তাসনিম দিশা (১৯) একসঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাফেরা করেন। একপর্যায়ে দিশা বাসায় চলে যান।

দীপের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২৮ অক্টোবর রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে তাহসিফ ও তিনি টঙ্গীর মাজার বস্তিতে পৌঁছান। সেখান থেকে বস্তির ভেতর দিয়ে তুরাগ নদীর তীরবর্তী একটি মাঠে যান। পরে মাঠে কয়েকজন লোকজনের উপস্থিতি দেখে তাঁরা আলাদা হয়ে যান বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন দীপ।

তদন্ত কর্মকর্তা আরও দাবি করেন, জিজ্ঞাসাবাদে দীপ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। সেগুলো তদন্তের স্বার্থে গোপন রেখে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তবে তিনি অত্যন্ত কৌশলে কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেছেন এবং কিছু বিষয়ে নীরবতা পালন করেছেন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, ঘটনার আগে তাহসিফকে দীপ ও দ

Share this news as a Photo Card