ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষায় ১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। এসব প্রতিষ্ঠানের মোট ১০২ জন পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বোর্ডের সম্মেলনকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করেন ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক মো. এনামুল হক ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. শাহাদাত উল্লাহ। এ সময় তারা ফলাফলের বিভিন্ন তথ্য ও চিত্র সংবাদকর্মীদের সামনে তুলে ধরেন।
ময়মনসিংহ বোর্ডের অধীন ৩১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ বছর মাত্র পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। বিপরীতে ১৯টি প্রতিষ্ঠানে পাসের হার শূন্য। শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ময়মনসিংহের সাতটি প্রতিষ্ঠানের ৪৩ জন, নেত্রকোণার ছয়টি প্রতিষ্ঠানের ৩৩ জন, জামালপুরের চারটি প্রতিষ্ঠানের ১৮ জন এবং শেরপুরের দুটি প্রতিষ্ঠানের ৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন।
অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকায় রয়েছে জামালপুরের শ্রীপুর কুমারিয়া নাছুবা হাকিম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, এস এম শিখা মোখলেছুর রহমান কলেজ, ইসলামপুরের গোয়ালের চর উচ্চ বিদ্যালয় এবং মাদারগঞ্জের নব্যচর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ। এছাড়া ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের বাঘাইতলা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, ঈশ্বরগঞ্জের কোনাপাড়া হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ ও চরজিথর উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ, নান্দাইলের বরিল্লা কে এ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ ও অ্যাডভোকেট আব্দুল হাই কলেজ, ত্রিশালের আউলিয়ানগর কলেজ এবং তারাকান্দার এইচ এ ডিজিটাল কলেজ রয়েছে।
অন্যদিকে নেত্রকোনার ভাষাসৈনিক আবুল হোসেন কলেজ, কেন্দুয়ার গোপালপুর মডেল কলেজ, পূর্বধলার খলিশাপুর উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়, জোবায়দা জহুর উদ্দিন সরকার মহিলা কলেজ ও অ্যামবিশন মডেল কলেজ, কলমাকান্দা মহিলা কলেজ এবং শেরপুরের মন্মথ দে মহাবিদ্যালয় ও ঝিনাইগাতীর আলহাজ এস এম এ ওয়ারেজ নাইম মডেল কলেজের কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেননি।
ফলাফল ঘোষণা শেষে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. শাহাদাত উল্লাহ বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হবে এবং আইনগত দিক বিবেচনায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

























