দিনাজপুরে ক্যান্সার চিকিৎসাসেবার পরিধি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামীকাল থেকে খুরশীদ জাহান হক ইনস্টিটিউট অব ক্যান্সার রিসার্চ অ্যান্ড হসপিটালে বাছাই করা রোগীদের কেমোথেরাপি দেওয়া শুরু হবে। পাশাপাশি আগামী তিন মাসের মধ্যে ইনডোর সুবিধাসহ হাসপাতালটি ৩০ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে রেডিওথেরাপি সেবা চালুর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি ও প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরাম দীর্ঘদিন ধরে যে কার্যক্রম পরিচালনা করছে, তা প্রশংসনীয়। তারা সরকারের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। এ কার্যক্রমে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে দিনাজপুরে জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালের তৃতীয় তলার কনফারেন্স হলে বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরামের মাসব্যাপী সচেতনতা ও স্ক্রিনিং কর্মসূচির সমাপনী এবং বৈজ্ঞানিক অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে খুরশীদ জাহান হক ইনস্টিটিউট অব ক্যান্সার রিসার্চ অ্যান্ড হসপিটালের বহির্বিভাগ ইতোমধ্যে চালু হয়েছে। সেখানে দুজন মেডিকেল অফিসার ও একজন অনকোলজিস্ট নিয়মিত রোগী দেখছেন। আগামীকাল থেকে বাছাই করা রোগীদের ডে-কেয়ার সেন্টারে কেমোথেরাপি দেওয়া শুরু হবে।
এ ছাড়া আগামী তিন মাসের মধ্যে ইনডোর চিকিৎসাসেবাসহ হাসপাতালটি ৩০ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। রেডিওথেরাপি সেবা চালুর লক্ষ্যে বাংকার ও ভবন নির্মাণ এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কেনার অর্থায়ন চেয়ে সরকারের কাছে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) জমা দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া এমপি ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সমন্বয়কারী এবং ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের অবৈতনিক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন।


























