চট্টগ্রামে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত নেতা ওয়াকিল হোসেন ওরফে বিহারী বগাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করা তাঁর অপর ১২ সহযোগীর আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ ছাড়া পাহাড়তলী কলেজের অধ্যক্ষের করা পৃথক আরেকটি মামলায়ও বগার জামিন আবেদন নাকচ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এ জি এম মনিরুল হাসান সরকার মঙ্গলবার সকালে শুনানি শেষে এসব আদেশ দেন।
চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী জানান, বগা আগে থেকেই অন্য একটি মামলায় কারাগারে ছিলেন। খুলশী থানার পুলিশের ওপর হামলার মামলায় তাঁকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। একই মামলার অপর ১২ আসামির জামিন আবেদনও নাকচ করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, পাহাড়তলী কলেজের অধ্যক্ষের মামলায় বগা উচ্চ আদালতের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে ছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তিনি নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করে পুনরায় জামিন চান। তবে আদালত তা নামঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ৬ অক্টোবর খুলশী থানায় হত্যাচেষ্টা, চাঁদাবাজি ও বসতবাড়িতে ভাঙচুরের অভিযোগে বগাসহ ৩৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ১৫০-২০০ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে একটি মামলা করেন নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটির বাসিন্দা শেখ মুহাম্মদ আরিফ। ওই মামলায় ১৮ অক্টোবর আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।
পুলিশের অপরাধসংক্রান্ত তথ্যভাণ্ডার পিসিপিআরের রেকর্ড অনুযায়ী, বিহারী বগার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, হত্যাচেষ্টা, অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনসহ বিভিন্ন অভিযোগে মোট ২৩টি মামলা রয়েছে।


























