মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন | ২৭শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | মঙ্গলবার, ১১ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

ইতালিতে বিপুল কর্মী নিয়োগ: ২০২৭ সালের কোটায় বাংলাদেশও, আবেদন প্রক্রিয়া ঘোষণা

  • হালনাগাদ সময় : ০৩:৪২:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩৮ বার পড়া হয়েছে

ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশগুলো থেকে ২০২৭ সালে ইতালিতে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫০ জন বিদেশি কর্মী প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছেন। কৃষি, পর্যটন, নির্মাণসহ বিভিন্ন খাতে বিদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য ইতালির সরকার নতুন কোটা এবং আবেদন প্রক্রিয়া প্রকাশ করেছে।

২০২৬-২০২৮ মেয়াদের ‘ডিক্রেতো ফ্লুসি’ কর্মসূচির আওতায় ইতালি এই বৃহৎ উদ্যোগ নিয়েছে। ‘ডিক্রেতো ফ্লুসি’ হলো ইতালির বিদেশি শ্রমিকদের জন্য ওয়ার্ক পারমিট বা কাজের ভিসা প্রদানের সরকারি কোটা ব্যবস্থা।

ইতালির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৭ সালের মোট কোটার মধ্যে ৭৬ হাজার ২০০ জনকে অমৌসুমি চাকরিতে, ৮৯ হাজার জনকে কৃষি ও পর্যটন খাতের মৌসুমি কাজে এবং ৬৫০ জনকে স্বনিয়োজিত কাজের জন্য নেওয়া হবে। পরিবারভিত্তিক পরিচর্যা বা কেয়ারগিভিং খাতের জন্য অমৌসুমি কোটার মধ্যে ১৪ হাজার স্থান সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।

এই বিশাল কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ্য দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের নামও রয়েছে। ইতালির সরকারি তালিকায় বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, নেপাল এবং আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের জন্য কোটা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

২০২৭ সালের কোটার জন্য আবেদনপত্র প্রাক-পূরণ বা ‘প্রিকম্পাইলেশন’ শুরু হবে ২০২৬ সালের ২৩ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে এবং চলবে একই বছর ৭ ডিসেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত। আবেদন করতে হবে ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের Portale Servizi ALI প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে।

তবে সাধারণত বিদেশি কর্মী নিজে সরাসরি এই কোটার জন্য আবেদন করতে পারেন না। ইতালিতে থাকা নিয়োগকর্তা বা অনুমোদিত প্রতিনিধি সংশ্লিষ্ট কর্মীর জন্য চাকরির অনুমোদন বা ‘নুলা ওস্তা’ (nulla osta) চেয়ে আবেদন করেন। এরপর অনুমোদন পেলে কর্মী নিজ দেশে ইতালীয় দূতাবাস বা কনস্যুলেটের মাধ্যমে কাজের ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।

২০২৭ সালের ‘ক্লিক ডে’ নির্ধারণ করা হয়েছে খাতভেদে আলাদা দিনে। কৃষি খাতের মৌসুমি কর্মীদের আবেদন জমা শুরু হবে ২০২৭ সালের ১২ জানুয়ারি, পর্যটন খাতে ৯ ফেব্রুয়ারি, অমৌসুমি কাজের জন্য ১৬ ফেব্রুয়ারি এবং পরিবারভিত্তিক পরিচর্যা খাতের জন্য ১৮ ফেব্রুয়ারি। প্রতিটি ক্ষেত্রেই আবেদন শুরু হবে ইতালির স্থানীয় সময় সকাল ৯টায়। কোটা অবশিষ্ট থাকা সাপেক্ষে আবেদন জমা দেওয়া যাবে ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

ইতালি ২০২৬ থেকে ২০২৮—এই তিন বছরে মোট ৪ লাখ ৯৭ হাজার ৫৫০ জন বিদেশি কর্মী নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। এর মধ্যে ২০২৬ সালে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮৫০ এবং ২০২৭ সালে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫০ জন কর্মী নেওয়া হবে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেনী স্টেশনে মহানগর এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি, উদ্বোধনী ট্রেনে কক্সবাজার পৌঁছালেন যাত্রীরা

26 October 2026

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম বদলে হলো 'নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়'

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

ইতালিতে বিপুল কর্মী নিয়োগ: ২০২৭ সালের কোটায় বাংলাদেশও, আবেদন প্রক্রিয়া ঘোষণা

হালনাগাদ সময় : ০৩:৪২:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশগুলো থেকে ২০২৭ সালে ইতালিতে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫০ জন বিদেশি কর্মী প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছেন। কৃষি, পর্যটন, নির্মাণসহ বিভিন্ন খাতে বিদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য ইতালির সরকার নতুন কোটা এবং আবেদন প্রক্রিয়া প্রকাশ করেছে।

২০২৬-২০২৮ মেয়াদের ‘ডিক্রেতো ফ্লুসি’ কর্মসূচির আওতায় ইতালি এই বৃহৎ উদ্যোগ নিয়েছে। ‘ডিক্রেতো ফ্লুসি’ হলো ইতালির বিদেশি শ্রমিকদের জন্য ওয়ার্ক পারমিট বা কাজের ভিসা প্রদানের সরকারি কোটা ব্যবস্থা।

ইতালির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৭ সালের মোট কোটার মধ্যে ৭৬ হাজার ২০০ জনকে অমৌসুমি চাকরিতে, ৮৯ হাজার জনকে কৃষি ও পর্যটন খাতের মৌসুমি কাজে এবং ৬৫০ জনকে স্বনিয়োজিত কাজের জন্য নেওয়া হবে। পরিবারভিত্তিক পরিচর্যা বা কেয়ারগিভিং খাতের জন্য অমৌসুমি কোটার মধ্যে ১৪ হাজার স্থান সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।

এই বিশাল কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ্য দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের নামও রয়েছে। ইতালির সরকারি তালিকায় বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, নেপাল এবং আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের জন্য কোটা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

২০২৭ সালের কোটার জন্য আবেদনপত্র প্রাক-পূরণ বা ‘প্রিকম্পাইলেশন’ শুরু হবে ২০২৬ সালের ২৩ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে এবং চলবে একই বছর ৭ ডিসেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত। আবেদন করতে হবে ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের Portale Servizi ALI প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে।

তবে সাধারণত বিদেশি কর্মী নিজে সরাসরি এই কোটার জন্য আবেদন করতে পারেন না। ইতালিতে থাকা নিয়োগকর্তা বা অনুমোদিত প্রতিনিধি সংশ্লিষ্ট কর্মীর জন্য চাকরির অনুমোদন বা ‘নুলা ওস্তা’ (nulla osta) চেয়ে আবেদন করেন। এরপর অনুমোদন পেলে কর্মী নিজ দেশে ইতালীয় দূতাবাস বা কনস্যুলেটের মাধ্যমে কাজের ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।

২০২৭ সালের ‘ক্লিক ডে’ নির্ধারণ করা হয়েছে খাতভেদে আলাদা দিনে। কৃষি খাতের মৌসুমি কর্মীদের আবেদন জমা শুরু হবে ২০২৭ সালের ১২ জানুয়ারি, পর্যটন খাতে ৯ ফেব্রুয়ারি, অমৌসুমি কাজের জন্য ১৬ ফেব্রুয়ারি এবং পরিবারভিত্তিক পরিচর্যা খাতের জন্য ১৮ ফেব্রুয়ারি। প্রতিটি ক্ষেত্রেই আবেদন শুরু হবে ইতালির স্থানীয় সময় সকাল ৯টায়। কোটা অবশিষ্ট থাকা সাপেক্ষে আবেদন জমা দেওয়া যাবে ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

ইতালি ২০২৬ থেকে ২০২৮—এই তিন বছরে মোট ৪ লাখ ৯৭ হাজার ৫৫০ জন বিদেশি কর্মী নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। এর মধ্যে ২০২৬ সালে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮৫০ এবং ২০২৭ সালে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫০ জন কর্মী নেওয়া হবে।

Share this news as a Photo Card