মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৩:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির পদ ছাড়লেন মির্জা ফখরুল

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৯:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে দল কর্তৃক মনোনীত হওয়ায় বিএনপির মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি জানান, প্রার্থী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলীয় মহাসচিব এবং স্থায়ী কমিটির পদ থেকে আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ করেছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের কমিটির একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকেই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মির্জা ফখরুল দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে দলের নতুন মহাসচিব করার বিষয়টি এখন নীতিগতভাবে বিবেচিত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কর্মকর্তার দপ্তরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। মনোনয়নলপত্র জমা দেওয়ার পর আগামী ১৬ আগস্ট তা বাছাই করবে নির্বাচন কমিশন। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় আগামী ১৮ আগস্ট। একাধিক প্রার্থী থাকলে আগামী ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালের পর এবারই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একাধিক প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিএনপির পাশাপাশি জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট প্রার্থী দেওয়ায় এবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ থাকছে না।

**দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার:**

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ থেকে বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে ২০১১ সালের ২০ মার্চ থেকে পাঁচ বছর তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর বিএনপির পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তাকে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজ জেলা ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি কৃষি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ১৯৮৬ সালে সরকারি চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ট্রেলিয়ায় ৭ লক্ষাধিক ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট বন্ধ করল মেটা

রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির পদ ছাড়লেন মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় : ০১:৫৯:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে দল কর্তৃক মনোনীত হওয়ায় বিএনপির মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি জানান, প্রার্থী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলীয় মহাসচিব এবং স্থায়ী কমিটির পদ থেকে আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ করেছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের কমিটির একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকেই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মির্জা ফখরুল দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে দলের নতুন মহাসচিব করার বিষয়টি এখন নীতিগতভাবে বিবেচিত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কর্মকর্তার দপ্তরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। মনোনয়নলপত্র জমা দেওয়ার পর আগামী ১৬ আগস্ট তা বাছাই করবে নির্বাচন কমিশন। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় আগামী ১৮ আগস্ট। একাধিক প্রার্থী থাকলে আগামী ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালের পর এবারই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একাধিক প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিএনপির পাশাপাশি জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট প্রার্থী দেওয়ায় এবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ থাকছে না।

**দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার:**

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ থেকে বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে ২০১১ সালের ২০ মার্চ থেকে পাঁচ বছর তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর বিএনপির পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তাকে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজ জেলা ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি কৃষি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ১৯৮৬ সালে সরকারি চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেন।