মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

ফুলবাড়ীয়ায় পুকুর খনন প্রকল্পে অনিয়ম: স্থানীয়দের ক্ষোভ, কর্তৃপক্ষের আশ্বাস

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় এলজিইডি-আইপিসিপি প্রকল্পের অধীনে প্রায় ১৬ লাখ ৩১ হাজার টাকা ব্যয়ে জোরবাড়ীয়া ডি-কাচারি পুকুর পুনঃখনন ও ঘাট নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কাজ শেষ হওয়ার আগেই পুকুরের উত্তর পাশের একাংশের মাটি ধসে পড়েছে এবং নির্মিত ঘাটে ফাটল দেখা দেওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, প্রকল্পের নির্ধারিত সময়সীমা ও মান অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা তোফাজ্জল হোসেন জানান, ‘কাজটি সঠিক নিয়মে হয়নি। নির্মিত ঘাটে ফাটল দেখা দেওয়ায় পরে তা মেরামত করতে হয়েছে।’ আরেক বাসিন্দা সৈয়দ মামুনুর রশীদ নয়ন বলেন, ‘আমি নিজ অর্থায়নে এই পুকুর থেকে দেড় লাখ টাকার মাটি খনন করিয়েছি। কিন্তু প্রকল্পের অধীনে পুকুরের তলা থেকে কোনো মাটিই খনন করা হয়নি, কেবল পাশ থেকে সামান্য মাটি কাটা হয়েছে।’ স্থানীয় বাসিন্দা গোলাম মোস্তফার অভিযোগ, ‘ভেকু মেশিন দিয়ে মাটি কেটে চারপাশে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে বর্তমানে কিছু অংশে মাটি ভেঙে নিচের দিকে চলে যাচ্ছে।’

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী জোবায়ের হোসেন বলেন, ‘এলজিইডি-আইপিসিপি প্রকল্পের অধীনে ঘাট ও দুই পাশে বসার সিটের জন্য ৮ লাখ টাকা, মাটি কাটার জন্য ৫ লাখ টাকা এবং গাছ লাগানো ও পাড়ে ঘাস লাগানোর জন্য ২ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিল। বর্তমানে কাজ চলমান রয়েছে। বর্ষার কারণে কিছু সমস্যা দেখা দিলেও, সেগুলো দ্রুতই সমাধান করা হবে।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মগবাজারে কাভার্ডভ্যানের বেপরোয়া গতি: মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা দুমড়ে-মুচড়ে নিহত ২, আহত অনেকে

ফুলবাড়ীয়ায় পুকুর খনন প্রকল্পে অনিয়ম: স্থানীয়দের ক্ষোভ, কর্তৃপক্ষের আশ্বাস

আপডেট সময় : ০২:৪৬:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় এলজিইডি-আইপিসিপি প্রকল্পের অধীনে প্রায় ১৬ লাখ ৩১ হাজার টাকা ব্যয়ে জোরবাড়ীয়া ডি-কাচারি পুকুর পুনঃখনন ও ঘাট নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কাজ শেষ হওয়ার আগেই পুকুরের উত্তর পাশের একাংশের মাটি ধসে পড়েছে এবং নির্মিত ঘাটে ফাটল দেখা দেওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, প্রকল্পের নির্ধারিত সময়সীমা ও মান অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা তোফাজ্জল হোসেন জানান, ‘কাজটি সঠিক নিয়মে হয়নি। নির্মিত ঘাটে ফাটল দেখা দেওয়ায় পরে তা মেরামত করতে হয়েছে।’ আরেক বাসিন্দা সৈয়দ মামুনুর রশীদ নয়ন বলেন, ‘আমি নিজ অর্থায়নে এই পুকুর থেকে দেড় লাখ টাকার মাটি খনন করিয়েছি। কিন্তু প্রকল্পের অধীনে পুকুরের তলা থেকে কোনো মাটিই খনন করা হয়নি, কেবল পাশ থেকে সামান্য মাটি কাটা হয়েছে।’ স্থানীয় বাসিন্দা গোলাম মোস্তফার অভিযোগ, ‘ভেকু মেশিন দিয়ে মাটি কেটে চারপাশে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে বর্তমানে কিছু অংশে মাটি ভেঙে নিচের দিকে চলে যাচ্ছে।’

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী জোবায়ের হোসেন বলেন, ‘এলজিইডি-আইপিসিপি প্রকল্পের অধীনে ঘাট ও দুই পাশে বসার সিটের জন্য ৮ লাখ টাকা, মাটি কাটার জন্য ৫ লাখ টাকা এবং গাছ লাগানো ও পাড়ে ঘাস লাগানোর জন্য ২ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিল। বর্তমানে কাজ চলমান রয়েছে। বর্ষার কারণে কিছু সমস্যা দেখা দিলেও, সেগুলো দ্রুতই সমাধান করা হবে।’