ঢাকা ০১:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপে খেলোয়াড় পাঠিয়ে ফিফা থেকে সর্বোচ্চ ৪.৪ মিলিয়ন ডলার পেল ম্যানচেস্টার সিটি

বিশ্বকাপে নিজেদের তারকা ফুটবলারদের অংশগ্রহণ করিয়ে ফিফার ‘ক্লাব বেনিফিটস প্রোগ্রাম’ (সিবিপি) থেকে সর্বোচ্চ অর্থ আয় করার রেকর্ড গড়েছে ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম দ্য অ্যাথলেটিক-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই নিয়ে টানা তিন আসরে ফিফার তহবিল থেকে সবচেয়ে বেশি অনুদান পাওয়ার গৌরব অর্জন করল ক্লাবটি।

বিশ্বকাপ চলাকালীন ক্লাবগুলোকে তাদের খেলোয়াড়দের ছাড়ার বিনিময়ে আর্থিক ক্ষতিপূরণ হিসেবে ফিফা সিবিপি ফান্ড প্রদান করে থাকে। এবার ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এই তহবিলের আকার ৭০ শতাংশ বাড়িয়ে মোট ৩৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার নির্ধারণ করে, যা ফিফার ইতিহাসে একটি নতুন রেকর্ড। এর মধ্যে ২৫ কোটি ডলার মূল পর্বে অংশ নেওয়া ৪৮টি দেশের ক্লাবগুলোর মধ্যে বণ্টন করা হয়।

দ্য অ্যাথলেটিক-এর তথ্যমতে, সিবিপির নিয়ম মেনে ম্যানচেস্টার সিটি বিশ্বকাপ থেকে আনুমানিক ৪৪ লাখ ডলার আয় করেছে। টুর্নামেন্টের শেষ সপ্তাহ এবং ফাইনাল পর্যন্ত সিটির বেশ কয়েকজন তারকা ফুটবলার মাঠ মাতিয়েছেন। স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার রদ্রি এবং ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের হয়ে লড়াই করা রায়ান শেরকি, মার্ক গেহি, জন স্টোন ও জেমস ট্রাফোর্ডের মতো ফুটবলারদের বড় অবদান রয়েছে ক্লাবের এই উপার্জনে।

আয়ের এই তালিকায় সিটির পরেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে স্প্যানিশ পরাশক্তি বার্সেলোনা, যারা প্রায় ৩৯ লাখ ডলার আয় করেছে। এছাড়া ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের অন্য ক্লাবগুলোর মধ্যে আর্সেনাল (৩৩ লাখ ডলার), ক্রিস্টাল প্যালেস (২৭ লাখ ডলার) এবং সান্ডারল্যান্ড (২২ লাখ ডলার) উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ লাভ করেছে।

বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া মোট ১,২৪৮ জন ফুটবলারের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশই ছিলেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের খেলোয়াড়। ফলে লিগভিত্তিক আয়েও শীর্ষে রয়েছে ইংলিশ ক্লাবগুলো, যারা সম্মিলিতভাবে ৩ কোটি ৪২ লাখ ডলার পেয়েছে। ১ কোটি ৮৮ লাখ ডলার পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জার্মানির বুন্দেসলিগা। ম্যানচেস্টার সিটির বার্ষিক বিশাল বেতনের তুলনায় এই অর্থ খুব বড় না হলেও, বিশ্ব ফুটবলে তাদের খেলোয়াড়দের প্রভাব ও সাফল্যের বিষয়টি এই আয়ের মাধ্যমেই পুনরায় প্রমাণিত হলো।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দিল্লির আন্দোলনকারীদের জন্য সংহতির বার্তা: ভারতজুড়ে পাঠানো হচ্ছে খাবার ও রসদ

বিশ্বকাপে খেলোয়াড় পাঠিয়ে ফিফা থেকে সর্বোচ্চ ৪.৪ মিলিয়ন ডলার পেল ম্যানচেস্টার সিটি

আপডেট সময় : ১১:৫৭:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপে নিজেদের তারকা ফুটবলারদের অংশগ্রহণ করিয়ে ফিফার ‘ক্লাব বেনিফিটস প্রোগ্রাম’ (সিবিপি) থেকে সর্বোচ্চ অর্থ আয় করার রেকর্ড গড়েছে ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম দ্য অ্যাথলেটিক-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই নিয়ে টানা তিন আসরে ফিফার তহবিল থেকে সবচেয়ে বেশি অনুদান পাওয়ার গৌরব অর্জন করল ক্লাবটি।

বিশ্বকাপ চলাকালীন ক্লাবগুলোকে তাদের খেলোয়াড়দের ছাড়ার বিনিময়ে আর্থিক ক্ষতিপূরণ হিসেবে ফিফা সিবিপি ফান্ড প্রদান করে থাকে। এবার ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এই তহবিলের আকার ৭০ শতাংশ বাড়িয়ে মোট ৩৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার নির্ধারণ করে, যা ফিফার ইতিহাসে একটি নতুন রেকর্ড। এর মধ্যে ২৫ কোটি ডলার মূল পর্বে অংশ নেওয়া ৪৮টি দেশের ক্লাবগুলোর মধ্যে বণ্টন করা হয়।

দ্য অ্যাথলেটিক-এর তথ্যমতে, সিবিপির নিয়ম মেনে ম্যানচেস্টার সিটি বিশ্বকাপ থেকে আনুমানিক ৪৪ লাখ ডলার আয় করেছে। টুর্নামেন্টের শেষ সপ্তাহ এবং ফাইনাল পর্যন্ত সিটির বেশ কয়েকজন তারকা ফুটবলার মাঠ মাতিয়েছেন। স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার রদ্রি এবং ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের হয়ে লড়াই করা রায়ান শেরকি, মার্ক গেহি, জন স্টোন ও জেমস ট্রাফোর্ডের মতো ফুটবলারদের বড় অবদান রয়েছে ক্লাবের এই উপার্জনে।

আয়ের এই তালিকায় সিটির পরেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে স্প্যানিশ পরাশক্তি বার্সেলোনা, যারা প্রায় ৩৯ লাখ ডলার আয় করেছে। এছাড়া ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের অন্য ক্লাবগুলোর মধ্যে আর্সেনাল (৩৩ লাখ ডলার), ক্রিস্টাল প্যালেস (২৭ লাখ ডলার) এবং সান্ডারল্যান্ড (২২ লাখ ডলার) উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ লাভ করেছে।

বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া মোট ১,২৪৮ জন ফুটবলারের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশই ছিলেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের খেলোয়াড়। ফলে লিগভিত্তিক আয়েও শীর্ষে রয়েছে ইংলিশ ক্লাবগুলো, যারা সম্মিলিতভাবে ৩ কোটি ৪২ লাখ ডলার পেয়েছে। ১ কোটি ৮৮ লাখ ডলার পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জার্মানির বুন্দেসলিগা। ম্যানচেস্টার সিটির বার্ষিক বিশাল বেতনের তুলনায় এই অর্থ খুব বড় না হলেও, বিশ্ব ফুটবলে তাদের খেলোয়াড়দের প্রভাব ও সাফল্যের বিষয়টি এই আয়ের মাধ্যমেই পুনরায় প্রমাণিত হলো।