ঢাকা ১০:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

দেশে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংকট মোকাবিলায় সরকার দেশে ১০ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। সোমবার রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক কর্মশালায় এ তথ্য জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেন, টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য শক্তির বিকল্প নেই।

মন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, বিশ্ববাজারে জ্বালানির উচ্চমূল্য এবং ডলার সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বহুগুণ বেড়েছে, যা দেশের অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরকার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। ব্যক্তিগত ও বাণিজ্যিক পর্যায়ে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে বর্তমান বাজেটে কর ছাড়ের মতো সুবিধাও রাখা হয়েছে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, সমুদ্রসীমা জয়ের পর সামুদ্রিক খনিজ সম্পদ আহরণে আরও গতিশীল হওয়া প্রয়োজন ছিল। ভবিষ্যতে জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে শক্তি আহরণে সরকার আরও বিনিয়োগ ও কারিগরি সহায়তা বৃদ্ধির পরিকল্পনা করছে। কর্মশালায় বিদ্যুৎ খাতের বিশেষজ্ঞ এবং উন্নয়ন সহযোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের বিপক্ষে পূর্ণশক্তির টেস্ট দল ঘোষণা করল অস্ট্রেলিয়া

দেশে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

আপডেট সময় : ০৮:১৯:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংকট মোকাবিলায় সরকার দেশে ১০ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। সোমবার রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক কর্মশালায় এ তথ্য জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেন, টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য শক্তির বিকল্প নেই।

মন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, বিশ্ববাজারে জ্বালানির উচ্চমূল্য এবং ডলার সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বহুগুণ বেড়েছে, যা দেশের অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরকার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। ব্যক্তিগত ও বাণিজ্যিক পর্যায়ে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে বর্তমান বাজেটে কর ছাড়ের মতো সুবিধাও রাখা হয়েছে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, সমুদ্রসীমা জয়ের পর সামুদ্রিক খনিজ সম্পদ আহরণে আরও গতিশীল হওয়া প্রয়োজন ছিল। ভবিষ্যতে জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে শক্তি আহরণে সরকার আরও বিনিয়োগ ও কারিগরি সহায়তা বৃদ্ধির পরিকল্পনা করছে। কর্মশালায় বিদ্যুৎ খাতের বিশেষজ্ঞ এবং উন্নয়ন সহযোগীরা উপস্থিত ছিলেন।