হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের প্রাইভেসি আরও শক্তিশালী করতে মেটা একটি গুরুত্বপূর্ণ ফিচার ‘ইউজারনেম’ যুক্ত করছে। এতদিন হোয়াটসঅ্যাপে কাউকে মেসেজ করতে হলে ফোন নম্বর শেয়ার করা বাধ্যতামূলক ছিল। কিন্তু এই নতুন ‘ইউজারনেম’ চালু হলে ব্যবহারকারীরা চাইলে তাদের নাম ও নম্বর গোপন রেখে যে কোনো ইউজারের সঙ্গে নিরাপদে যোগাযোগ করতে পারবেন। অপরিচিত কেউ আপনার নম্বর বা নাম দেখতে পাবে না, বরং দেখবে শুধু ইউনিক ইউজারনেমটি।
এই ইউজারনেম ফিচারের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে আরও শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা ‘পিন’ বা চার অঙ্কের একটি পার্সোনাল কোড। যদি ইউজার ‘ইউজারনেম + পিন’ সুরক্ষা চালু করে রাখেন, তবে শুধু ইউজারনেম জেনে কেউ মেসেজ পাঠাতে পারবে না, সেই পিনটিও জানতে হবে। এতে অনাকাঙ্ক্ষিত মেসেজ, স্প্যাম বা অপরিচিত ব্যক্তির বিরক্তিকর ইনবক্সে ঢোকার সুযোগ অনেকটাই কমে যাবে। এটি তাদের জন্য বিশেষ সুবিধা দেবে, যারা পেশাগত কাজে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করলেও ব্যক্তিগত নম্বর প্রকাশ করতে চান না।
এছাড়াও, নতুন ফিচারে ‘রিজার্ভ ইউজারনেম’ অপশন থাকবে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাদের পছন্দসই ইউজারনেম আগেই লক করে রাখতে পারবেন। ইউজারনেম পরিবর্তন করলে হোয়াটসঅ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি নোটিফিকেশন পাঠাবে, যা স্বচ্ছ ও সুরক্ষিত যোগাযোগ নিশ্চিত করবে।
প্রাইভেসি বাড়াতে হোয়াটসঅ্যাপ আরও একটি সুবিধা যোগ করছে, যেখানে বাইরের কোনো ওয়েবসাইট বা ওয়েব-লিংক থেকে আসা সন্দেহজনক মেসেজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্লক করা হবে। এর ফলে ফিশিং, স্প্যাম, স্ক্যামসহ ব্যক্তিগত তথ্য চুরির ঝুঁকি অনেকটাই কমবে। ব্যবহারকারীরা সম্পূর্ণ তিনটি স্তরে প্রাইভেসি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন: শুধু ইউজারনেম, ইউজারনেম+পিন অথবা প্রচলিত ফোন নম্বর ভিত্তিক যোগাযোগ। তবে এই ফিচার মূলত নতুন যোগাযোগকারীদের জন্য পরিচয় লুকিয়ে রাখার সুযোগ দেবে, যারা আগে থেকেই নম্বর সেভ করে রেখেছেন তারা আগের মতোই মেসেজ করতে পারবেন। বর্তমানে এই ফিচারটি হোয়াটসঅ্যাপের বিটা ভার্সনে দেখা যাচ্ছে এবং ধারণা করা হচ্ছে, আগামী বছর এটি ব্যবহারকারীদের জন্য বড় ধরনের ‘প্রাইভেসি শিল্ড’ হিসেবে কাজ করবে।
রিপোর্টারের নাম 
























