ঢাকা ১২:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

নারায়ণগঞ্জে শিশু হোসাইনকে হত্যার নেপথ্যে কিশোর গ্যাংয়ের ‘জেল খাটার বিকৃত শখ’

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৫:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ১১ বছর বয়সী শিশু হোসাইনকে হত্যার পেছনে এক ভয়ংকর ও বিকৃত মানসিকতার তথ্য প্রকাশ করেছে পুলিশ। অপরাধ জগতের স্বাদ নেওয়া এবং জেল খাটার অভিজ্ঞতা অর্জনের অদ্ভুত কৌতূহল থেকেই কিশোরদের একটি দল পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ ইতোমধ্যে ছয় কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে।

সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা নিয়মিত মাদক সেবন করত এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতি তাদের এক ধরনের বিকৃত আসক্তি তৈরি হয়েছিল। তারা স্রেফ অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য কাউকে হত্যার পরিকল্পনা করে এবং সহজ লক্ষ্য হিসেবে ফুল বিক্রেতা শিশু হোসাইনকে বেছে নেয়। গত ১৮ এপ্রিল হোসাইনকে গাঁজার প্রলোভন দেখিয়ে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে গিয়ে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয় এবং লাশ সেখানেই ফেলে রাখা হয়।

নিখোঁজ হওয়ার পাঁচ দিন পর একটি পরিত্যক্ত ভবন থেকে হোসাইনের গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত কিশোর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। সমাজবিজ্ঞানীরা এই ঘটনাকে কিশোর অপরাধের এক ভয়াবহ ও উদ্বেগজনক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন। ঘটনায় জড়িত অন্য সদস্যদের ধরতেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বমঞ্চে তমা রশিদের ঐতিহাসিক জয়: ‘মিসেস ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল’ চ্যাম্পিয়ন

নারায়ণগঞ্জে শিশু হোসাইনকে হত্যার নেপথ্যে কিশোর গ্যাংয়ের ‘জেল খাটার বিকৃত শখ’

আপডেট সময় : ১০:৩৫:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ১১ বছর বয়সী শিশু হোসাইনকে হত্যার পেছনে এক ভয়ংকর ও বিকৃত মানসিকতার তথ্য প্রকাশ করেছে পুলিশ। অপরাধ জগতের স্বাদ নেওয়া এবং জেল খাটার অভিজ্ঞতা অর্জনের অদ্ভুত কৌতূহল থেকেই কিশোরদের একটি দল পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ ইতোমধ্যে ছয় কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে।

সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা নিয়মিত মাদক সেবন করত এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতি তাদের এক ধরনের বিকৃত আসক্তি তৈরি হয়েছিল। তারা স্রেফ অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য কাউকে হত্যার পরিকল্পনা করে এবং সহজ লক্ষ্য হিসেবে ফুল বিক্রেতা শিশু হোসাইনকে বেছে নেয়। গত ১৮ এপ্রিল হোসাইনকে গাঁজার প্রলোভন দেখিয়ে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে গিয়ে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয় এবং লাশ সেখানেই ফেলে রাখা হয়।

নিখোঁজ হওয়ার পাঁচ দিন পর একটি পরিত্যক্ত ভবন থেকে হোসাইনের গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত কিশোর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। সমাজবিজ্ঞানীরা এই ঘটনাকে কিশোর অপরাধের এক ভয়াবহ ও উদ্বেগজনক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন। ঘটনায় জড়িত অন্য সদস্যদের ধরতেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।