ঢাকা ১২:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

আলীকদমের দুর্গম পাহাড়ে হামের ভয়াবহ প্রকোপ: চিকিৎসার অভাবে বিপন্ন ম্রো শিশুরা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৫:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার কুরুকপাতা ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি জনপদে ছড়িয়ে পড়েছে হামের ভয়াবহ প্রকোপ। প্রায় প্রতিটি ঘরেই শিশুরা এখন জ্বর ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে কাতরাচ্ছে। ভৌগোলিক প্রতিকূলতা আর চরম আর্থিক অনটনের কারণে অসুস্থ শিশুদের হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে ম্রো জনগোষ্ঠীর এই পাড়াগুলোতে এখন হাহাকার বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়নের নেপিউ পাড়া, চেয়ারম্যান পাড়া, রিংলক পাড়া ও আদু পাড়ায় পরিস্থিতি সবচেয়ে উদ্বেগজনক। অনেক পরিবারে একাধিক শিশু শয্যাশায়ী। দুর্গম পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়ে জেলা বা উপজেলা সদরের হাসপাতালে পৌঁছানো সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের বাইরে। অনেক ক্ষেত্রে কয়েক ঘণ্টা উঁচু পাহাড় ডিঙিয়ে পায়ে হেঁটে তবেই লোকালয়ে পৌঁছাতে হয়। ফলে বিনা চিকিৎসায় ঘরেই ধুঁকছে আক্রান্তরা।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু হয়েছে এবং অনেক শিশু চিকিৎসা নিয়েছে। তবে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি সামাল দেওয়া চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, এসব এলাকায় স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়মিত যাতায়াত বা টিকাদান কর্মসূচির অভাব রয়েছে। বর্তমান সংকট মোকাবিলায় দ্রুত বিশেষ মেডিকেল টিম পাঠানোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বমঞ্চে তমা রশিদের ঐতিহাসিক জয়: ‘মিসেস ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল’ চ্যাম্পিয়ন

আলীকদমের দুর্গম পাহাড়ে হামের ভয়াবহ প্রকোপ: চিকিৎসার অভাবে বিপন্ন ম্রো শিশুরা

আপডেট সময় : ১০:৩৫:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার কুরুকপাতা ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি জনপদে ছড়িয়ে পড়েছে হামের ভয়াবহ প্রকোপ। প্রায় প্রতিটি ঘরেই শিশুরা এখন জ্বর ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে কাতরাচ্ছে। ভৌগোলিক প্রতিকূলতা আর চরম আর্থিক অনটনের কারণে অসুস্থ শিশুদের হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে ম্রো জনগোষ্ঠীর এই পাড়াগুলোতে এখন হাহাকার বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়নের নেপিউ পাড়া, চেয়ারম্যান পাড়া, রিংলক পাড়া ও আদু পাড়ায় পরিস্থিতি সবচেয়ে উদ্বেগজনক। অনেক পরিবারে একাধিক শিশু শয্যাশায়ী। দুর্গম পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়ে জেলা বা উপজেলা সদরের হাসপাতালে পৌঁছানো সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের বাইরে। অনেক ক্ষেত্রে কয়েক ঘণ্টা উঁচু পাহাড় ডিঙিয়ে পায়ে হেঁটে তবেই লোকালয়ে পৌঁছাতে হয়। ফলে বিনা চিকিৎসায় ঘরেই ধুঁকছে আক্রান্তরা।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু হয়েছে এবং অনেক শিশু চিকিৎসা নিয়েছে। তবে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি সামাল দেওয়া চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, এসব এলাকায় স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়মিত যাতায়াত বা টিকাদান কর্মসূচির অভাব রয়েছে। বর্তমান সংকট মোকাবিলায় দ্রুত বিশেষ মেডিকেল টিম পাঠানোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।