মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০১:২৯ পূর্বাহ্ন | ৫ই নভেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | বৃহঃস্পতিবার, ২০শে কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

মার্কিন সিনেটে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন ফিলিস্তিনি নারী আবের কাওয়াস

  • হালনাগাদ সময় : ১২:০৬:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। নিউ ইয়র্ক স্টেট সিনেটের ১২ নম্বর আসনে জয় পেয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত আমেরিকান মুসলিম নারী আবের কাওয়াস। এর মধ্য দিয়ে তিনি নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় প্রথম হিজাব পরিহিত ফিলিস্তিনি আমেরিকান হিসেবে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করলেন।

তার প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান মনোনীত প্রার্থী হান খন তো-কে বিপুল ব্যবধানে হারিয়ে তিনি এই ঐতিহাসিক জয় তুলে নেন। জয়ের পর সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় তিনি লিখেছেন, ‘আমরা ইতিহাস তৈরি করেছি।’

‘ফান্ড ডিগনিটি, ফাইট ডেস্ট্রাকশন’ (মর্যাদার অর্থায়ন, ধ্বংসের বিরুদ্ধে লড়াই) এই স্লোগানকে সামনে রেখে নির্বাচনি প্রচারণা চালিয়েছিলেন ৩৪ বছর বয়সী আবের। তার এজেন্ডায় সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা, সুলভ মূল্যে আবাসন, দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য জনপরিবহন ব্যবস্থা এবং জলবায়ু পরিবর্তন রোধে জোরালো পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছিল। এছাড়া অভিবাসী অধিকার রক্ষা এবং যুদ্ধবিরোধী কঠোর অবস্থানের কারণে তরুণ প্রজন্মের মাঝে তিনি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন।

ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকার এই নেত্রীর জয়ে ফিলিস্তিনপন্থী ও প্রগতিশীল মার্কিন সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক প্রভাব আরও সুসংহত হলো। গত বছর নিউইয়র্ক সিটির মেয়র নির্বাচনে সংগঠনটির সদস্য জোহরান মামদানি ঐতিহাসিক জয় পাওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে সংগঠনটি অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জন করেছে।

নির্বাচনে বার্নি স্যান্ডার্স, রাশিদা তালিবসহ বিশিষ্ট প্রগতিশীল ডেমোক্রেটিক নেতারা তাকে সমর্থন দিয়েছিলেন। অভিবাসী পরিবারে বেড়ে ওঠা আবের কাওয়াসের পারিবারিক জীবনও ছিল সংগ্রামের। তার বাবার রাজনৈতিক নির্বাসন ও আটকের অভিজ্ঞতা তাকে ছোটবেলা থেকেই শ্রমিক ও অভিবাসী অধিকার আদায়ে সোচ্চার করে তোলে।

বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে মুসলিম ও ফিলিস্তিনি আমেরিকানদের ক্রমবর্ধমান প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে এই জয় একটি বড় মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

বাসাবাড়ি পরিচ্ছন্ন রাখলে ৫০ শতাংশ মশার লার্ভা শুরুতেই ধ্বংস সম্ভব: ডিএসসিসি

04 November 2026

মার্কিন সিনেটে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন ফিলিস্তিনি নারী আবের কাওয়াস

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

মার্কিন সিনেটে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন ফিলিস্তিনি নারী আবের কাওয়াস

হালনাগাদ সময় : ১২:০৬:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। নিউ ইয়র্ক স্টেট সিনেটের ১২ নম্বর আসনে জয় পেয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত আমেরিকান মুসলিম নারী আবের কাওয়াস। এর মধ্য দিয়ে তিনি নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় প্রথম হিজাব পরিহিত ফিলিস্তিনি আমেরিকান হিসেবে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করলেন।

তার প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান মনোনীত প্রার্থী হান খন তো-কে বিপুল ব্যবধানে হারিয়ে তিনি এই ঐতিহাসিক জয় তুলে নেন। জয়ের পর সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় তিনি লিখেছেন, ‘আমরা ইতিহাস তৈরি করেছি।’

‘ফান্ড ডিগনিটি, ফাইট ডেস্ট্রাকশন’ (মর্যাদার অর্থায়ন, ধ্বংসের বিরুদ্ধে লড়াই) এই স্লোগানকে সামনে রেখে নির্বাচনি প্রচারণা চালিয়েছিলেন ৩৪ বছর বয়সী আবের। তার এজেন্ডায় সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা, সুলভ মূল্যে আবাসন, দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য জনপরিবহন ব্যবস্থা এবং জলবায়ু পরিবর্তন রোধে জোরালো পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছিল। এছাড়া অভিবাসী অধিকার রক্ষা এবং যুদ্ধবিরোধী কঠোর অবস্থানের কারণে তরুণ প্রজন্মের মাঝে তিনি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন।

ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকার এই নেত্রীর জয়ে ফিলিস্তিনপন্থী ও প্রগতিশীল মার্কিন সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক প্রভাব আরও সুসংহত হলো। গত বছর নিউইয়র্ক সিটির মেয়র নির্বাচনে সংগঠনটির সদস্য জোহরান মামদানি ঐতিহাসিক জয় পাওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে সংগঠনটি অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জন করেছে।

নির্বাচনে বার্নি স্যান্ডার্স, রাশিদা তালিবসহ বিশিষ্ট প্রগতিশীল ডেমোক্রেটিক নেতারা তাকে সমর্থন দিয়েছিলেন। অভিবাসী পরিবারে বেড়ে ওঠা আবের কাওয়াসের পারিবারিক জীবনও ছিল সংগ্রামের। তার বাবার রাজনৈতিক নির্বাসন ও আটকের অভিজ্ঞতা তাকে ছোটবেলা থেকেই শ্রমিক ও অভিবাসী অধিকার আদায়ে সোচ্চার করে তোলে।

বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে মুসলিম ও ফিলিস্তিনি আমেরিকানদের ক্রমবর্ধমান প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে এই জয় একটি বড় মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।

Share this news as a Photo Card