ভারতে বসবাসের আইনি অধিকার ও জটিলতা নিয়ে নতুন চাপে পড়েছেন বলউড অভিনেতা ইমরান খান। দেশ ছাড়ার আদেশের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারে গেলেও এবার বম্বে হাইকোর্ট থেকে কঠোর শর্ত দেওয়া হয়েছে। ভারতে থাকতে হলে তাঁকে আদালতে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন উচ্চ আদালত।
মামলার শুনানিকালে অভিনেতার অবস্থান ও ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতির বেঞ্চ। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, শুধু কোনো লিখিত হলফনামা জমা দিলেই এই আইনি বিষয়ের সুরাহা সম্ভব নয়। বরং পুরো পরিস্থিতির দায়ভার নিয়ে ইমরানের কাছ থেকে একটি নিঃশর্ত ক্ষমাপত্র প্রত্যাশা করছে আদালত।
শুনানিতে নিজের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে ইমরান খান জানান, যে বিতর্কিত প্রতিবাদ কর্মসূচি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তার আয়োজকদের সঙ্গে তাঁর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনো যোগাযোগ ছিল না। নিজের বক্তব্যের পক্ষে হলফনামা পেশ করতেও তিনি সম্মতি প্রকাশ করেন এবং ভারতে থাকার অনুমতি বহাল রাখার আবেদন জানান।
তবে আদালতের কাছে অভিনেতার এই ব্যাখ্যা পর্যাপ্ত মনে হয়নি। বিচারপতিরা মনে করেন, কেবল ব্যাখ্যামূলক হলফনামা দিয়ে এই স্পর্শকাতর বিষয়ের নিষ্পত্তি হতে পারে না। তাই নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার জন্য অভিনেতাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এই আইনি লড়াইয়ে ইমরান খানের অবস্থান কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর বোম্বে ও বলিউডের।


























