মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
১২:৫৯ পূর্বাহ্ন | ৩১শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | শনিবার, ১৫ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

ভর্তুকি নির্ভরতা কমাতে নভেম্বরে প্যাকেটজাত মসলা ও চা বিক্রি শুরু করবে টিসিবি

  • হালনাগাদ সময় : ০২:৩৪:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

ভোক্তা পর্যায়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ বৃদ্ধির পাশাপাশি নিজস্ব বাণিজ্যিক আয় বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। সরকারি ভর্তুকির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সংস্থাকে স্বনির্ভর করার লক্ষ্যে আগামী নভেম্বর থেকেই প্যাকেটজাত গুঁড়া মসলা ও চা বিক্রি শুরু করতে যাচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত এই সংস্থাটি।

টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়সল আজাদ জানান, সাশ্রয়ী মূল্যে সাধারণ মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় পণ্য পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি সংস্থার আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে বাণিজ্যিক পরিসর বাড়ানো হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে সাবান ও ডিটারজেন্ট বিক্রি শুরু হয়েছে। আগামী নভেম্বর থেকে প্যাকেটজাত হলুদ ও মরিচের গুঁড়া বিক্রির প্রস্তুতি চলছে। এ ছাড়া চা বিক্রির অনুমোদনও পাওয়া গেছে। আশা করছি, নভেম্বরের মধ্যেই পণ্যগুলো বাজারে নিয়ে আসা সম্ভব হবে।’

টিসিবি চেয়ারম্যান আরও উল্লেখ করেন, সংস্থাটি পরবর্তীতে আটা বিক্রির পরিকল্পনাও করছে এবং বাজার যাচাই-বাছাই করে নতুন আরও কয়েকটি পণ্য যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলমান বাজার জরিপের ফলাফল ইতিবাচক হলে সেসব পণ্যও তালিকায় আসবে। আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে নিজস্ব বাণিজ্যিক আয় বাড়িয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে টিসিবি।

উল্লেখ্য, টিসিবি সম্প্রতি কাপড় কাচার সাবান, গোসলের সাবান, ডিটারজেন্ট ও লবণ বিক্রি শুরু করেছে। এসব পণ্য বাজারদরের চেয়ে কম হলেও সংগ্রহমূল্যের চেয়ে সামান্য বেশি দামে বিক্রি হওয়ায় সংস্থাটি মুনাফা অর্জন করছে। সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাণিজ্যিক কার্যক্রম থেকে সংস্থাটির আয় হয়েছে ২৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।

টিসিবির চেয়ারম্যান আশা প্রকাশ করেন, পণ্যের পরিধি বাড়িয়ে এক কোটি গ্রাহকের কাছে পৌঁছাতে পারলে সংস্থার অতিরিক্ত প্রায় ৭০০ কোটি টাকা আয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে। বর্তমানে প্রতি মাসে প্রায় ৫০ লাখ গ্রাহক এই সুবিধার আওতায় আসছেন, যা চলতি অর্থবছরে ৮০ লাখে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। তবে নতুন বাণিজ্যিক পণ্য বিক্রির কারণে বিদ্যমান ভর্তুকিযুক্ত পণ্যের দামে কোনো প্রভাব পড়বে না এবং আগের দামেই তা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি স্পষ্ট করেন।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

নারীদের ক্ষমতার দ্বন্দ্বে মুখোমুখি কীর্তি ও রাধিকা, ওটিটিতে ঝড় তুলেছে ‘আক্কা’

30 October 2026

তিন আন্তর্জাতিক উৎসবে প্রদর্শিত হবে বাংলাদেশের সিনেমা 'মাস্টার'

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

ভর্তুকি নির্ভরতা কমাতে নভেম্বরে প্যাকেটজাত মসলা ও চা বিক্রি শুরু করবে টিসিবি

হালনাগাদ সময় : ০২:৩৪:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

ভোক্তা পর্যায়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ বৃদ্ধির পাশাপাশি নিজস্ব বাণিজ্যিক আয় বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। সরকারি ভর্তুকির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সংস্থাকে স্বনির্ভর করার লক্ষ্যে আগামী নভেম্বর থেকেই প্যাকেটজাত গুঁড়া মসলা ও চা বিক্রি শুরু করতে যাচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত এই সংস্থাটি।

টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়সল আজাদ জানান, সাশ্রয়ী মূল্যে সাধারণ মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় পণ্য পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি সংস্থার আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে বাণিজ্যিক পরিসর বাড়ানো হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে সাবান ও ডিটারজেন্ট বিক্রি শুরু হয়েছে। আগামী নভেম্বর থেকে প্যাকেটজাত হলুদ ও মরিচের গুঁড়া বিক্রির প্রস্তুতি চলছে। এ ছাড়া চা বিক্রির অনুমোদনও পাওয়া গেছে। আশা করছি, নভেম্বরের মধ্যেই পণ্যগুলো বাজারে নিয়ে আসা সম্ভব হবে।’

টিসিবি চেয়ারম্যান আরও উল্লেখ করেন, সংস্থাটি পরবর্তীতে আটা বিক্রির পরিকল্পনাও করছে এবং বাজার যাচাই-বাছাই করে নতুন আরও কয়েকটি পণ্য যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলমান বাজার জরিপের ফলাফল ইতিবাচক হলে সেসব পণ্যও তালিকায় আসবে। আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে নিজস্ব বাণিজ্যিক আয় বাড়িয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে টিসিবি।

উল্লেখ্য, টিসিবি সম্প্রতি কাপড় কাচার সাবান, গোসলের সাবান, ডিটারজেন্ট ও লবণ বিক্রি শুরু করেছে। এসব পণ্য বাজারদরের চেয়ে কম হলেও সংগ্রহমূল্যের চেয়ে সামান্য বেশি দামে বিক্রি হওয়ায় সংস্থাটি মুনাফা অর্জন করছে। সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাণিজ্যিক কার্যক্রম থেকে সংস্থাটির আয় হয়েছে ২৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।

টিসিবির চেয়ারম্যান আশা প্রকাশ করেন, পণ্যের পরিধি বাড়িয়ে এক কোটি গ্রাহকের কাছে পৌঁছাতে পারলে সংস্থার অতিরিক্ত প্রায় ৭০০ কোটি টাকা আয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে। বর্তমানে প্রতি মাসে প্রায় ৫০ লাখ গ্রাহক এই সুবিধার আওতায় আসছেন, যা চলতি অর্থবছরে ৮০ লাখে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। তবে নতুন বাণিজ্যিক পণ্য বিক্রির কারণে বিদ্যমান ভর্তুকিযুক্ত পণ্যের দামে কোনো প্রভাব পড়বে না এবং আগের দামেই তা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি স্পষ্ট করেন।

Share this news as a Photo Card