প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক জাপান সফর অত্যন্ত কার্যকর ও ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর এই গুরুত্বপূর্ণ সফর পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই উচ্চপর্যায়ের সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরের মাধ্যমে একদিকে জাপানের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন সহায়তা চলমান থাকা ও বৃদ্ধির জোরালো প্রতিশ্রুতি এসেছে, অন্যদিকে বাংলাদেশে জাপানি বেসরকারি বিনিয়োগ এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের পথ আরও প্রশস্ত হয়েছে।
হুমায়ুন কবির জানান, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ পররাষ্ট্রনীতির ওপর ভিত্তি করে এবং ভবিষ্যতের উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় রেখে যোগাযোগ, পরিবেশ, আধুনিক কৃষি, আইসিটি, মানবসম্পদ, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনা, টেকসই অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক শান্তি ও রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে টোকিওর নিরবচ্ছিন্ন সহায়তার অঙ্গীকার নিয়ে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এর আগে গত ২৬ অক্টোবর সরকারি সফরে জাপানে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২৭ অক্টোবর জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত শীর্ষ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাণিজ্য, অবকাঠামো, প্রযুক্তি, মহাকাশ গবেষণা ও জ্বালানি সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের জ্বালানি ও আইসিটি খাতে জাপানের প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন (প্রায় ৬.৩ বিলিয়ন ডলার) বেসরকারি বিনিয়োগ প্রস্তাব বাস্তবায়ন নিয়ে কথা হয় এবং দ্রুত একটি জাপানি প্রতিনিধি দলকে বাংলাদেশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়।
সফরকালে দুই দেশের মধ্যে ছয়টি দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা দলিল স্বাক্ষরিত হয় এবং দুটি ইয়েন-লোন প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়। এছাড়া বাংলাদেশের উপকূলীয় নিরাপত্তা জোরদারে টহল জাহাজ সংগ্রহের অনুদান এবং জেট্রোর মাধ্যমে বেসরকারি খাতের ১৭টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে প্রতিমন্ত্রী নিশ্চিত করেন।
























