মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০৩:০৪ অপরাহ্ন | ২৮শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | বুধবার, ১২ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

বর্ষায় জমজমাট পিরোজপুরের নেছারাবাদের শতবর্ষী ভাসমান নৌকার হাট

  • হালনাগাদ সময় : ০৯:৫৫:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

চলতি বর্ষা মৌসুম শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার আটঘর কুড়িয়ানায় জমে উঠেছে শত বছরের ঐতিহ্যবাহী ভাসমান নৌকার হাট। বৈশাখ থেকে আশ্বিন মাস পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহের সোম ও শুক্রবার বসা এই হাটটি ঘিরে স্থানীয় গ্রামীণ অর্থনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

ভরা বর্ষায় এ বাড়ি থেকে ও বাড়ি যাতায়াত, মাছ ধরা, শামুক সংগ্রহ এবং জলমগ্ন এলাকার নিত্যদিনের চলাচলের জন্য ছোট নৌকার চাহিদা থাকে তুঙ্গে। নেছারাবাদের ডুবি ও চামী গ্রামের কারিগরদের তৈরি এসব নৌকা কিনতে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও দূরদূরান্ত থেকে ক্রেতারা ভিড় করেন।

সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, বর্ষার এই মৌসুমে শুধু এই হাটটি কেন্দ্র করেই প্রায় ১৫ থেকে ১৬ কোটি টাকার নৌকা বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে। প্রকারভেদে প্রতিটি নৌকা চার হাজার থেকে আট হাজার টাকায় বিক্রি হয়। তবে দূরদূরান্ত থেকে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও বিশ্রামের সুব্যবস্থা না থাকায় কিছু দুর্ভোগ পোহাতে হয় বলে জানান স্থানীয়রা।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে ঐতিহাসিক গঙ্গা চুক্তির ৩০ বছরের মেয়াদ: পানিবণ্টন নিয়ে নতুন আলোচনায় ঢাকা-দিল্লি

28 October 2026

অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ স্থানীয় নির্বাচন উপহার দেবে সরকার: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

বর্ষায় জমজমাট পিরোজপুরের নেছারাবাদের শতবর্ষী ভাসমান নৌকার হাট

হালনাগাদ সময় : ০৯:৫৫:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

চলতি বর্ষা মৌসুম শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার আটঘর কুড়িয়ানায় জমে উঠেছে শত বছরের ঐতিহ্যবাহী ভাসমান নৌকার হাট। বৈশাখ থেকে আশ্বিন মাস পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহের সোম ও শুক্রবার বসা এই হাটটি ঘিরে স্থানীয় গ্রামীণ অর্থনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

ভরা বর্ষায় এ বাড়ি থেকে ও বাড়ি যাতায়াত, মাছ ধরা, শামুক সংগ্রহ এবং জলমগ্ন এলাকার নিত্যদিনের চলাচলের জন্য ছোট নৌকার চাহিদা থাকে তুঙ্গে। নেছারাবাদের ডুবি ও চামী গ্রামের কারিগরদের তৈরি এসব নৌকা কিনতে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও দূরদূরান্ত থেকে ক্রেতারা ভিড় করেন।

সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, বর্ষার এই মৌসুমে শুধু এই হাটটি কেন্দ্র করেই প্রায় ১৫ থেকে ১৬ কোটি টাকার নৌকা বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে। প্রকারভেদে প্রতিটি নৌকা চার হাজার থেকে আট হাজার টাকায় বিক্রি হয়। তবে দূরদূরান্ত থেকে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও বিশ্রামের সুব্যবস্থা না থাকায় কিছু দুর্ভোগ পোহাতে হয় বলে জানান স্থানীয়রা।

Share this news as a Photo Card