রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও দ্রুতগতির করতে মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের আওতায় এমআরটি লাইন-১ এবং এমআরটি লাইন-৫-এর চারটি গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণ প্যাকেজের চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে। এসব প্যাকেজের মাধ্যমে ১১ দশমিক ৫০ ১৭ কিলোমিটার উড়াল রেলপথ ও আটটি নতুন স্টেশন নির্মিত হবে। একই সঙ্গে দুটি মেট্রোরেল রুটের ডিপোর একাধিক স্থাপনা তৈরির কাজও শুরু হবে।
সম্প্রতি রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়িতে মেট্রোরেল ভবনের সম্মেলনকক্ষে চুক্তিগুলো সই হয়। বাংলাদেশ সরকার ও জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) যৌথ অর্থায়নে এই মেগা প্রকল্প দুটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।
চুক্তি প্রদান অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক জানান, যানজট হ্রাস করা এবং নগরবাসীর যাতায়াতের সময় কমিয়ে আনাই সরকারের মূল অগ্রাধিকার। তিনি প্রকল্পের নিরাপত্তা ও কাজের গুণগত মান অক্ষুণ্ন রেখে নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার ওপর জোর দেন।
চুক্তি অনুযায়ী, এমআরটি লাইন-১-এর ডিপো নির্মাণের সিপি-০২ প্যাকেজের কাজ পেয়েছে সিনোহাইড্রো-এসইবিসিএল জয়েন্ট ভেঞ্চার। এছাড়া সিপি-০৭ প্যাকেজের আওতায় পাতাল থেকে উড়াল পথে ওঠার স্থান থেকে বালু নদী পর্যন্ত উড়াল পথ এবং জোয়ার সাহারা, বোয়ালিয়া ও মস্তুলে তিনটি স্টেশন নির্মাণ করবে সিআরইসি-এমআইএল-এমবিইসি জয়েন্ট ভেঞ্চার।
অন্যদিকে, এমআরটি লাইন-৫-এর নর্দার্ন রুটের ডিপো অবকাঠামো নির্মাণ করবে সিপিসি-হানিল জয়েন্ট ভেঞ্চার এবং হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত ৬ দশমিক ৫০ কিলোমিটার উড়াল পথ ও পাঁচটি স্টেশন নির্মাণ করবে সিআরইসি-এমআইএল-এমবিইসি জয়েন্ট ভেঞ্চার। অনুষ্ঠানে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাওগাতুল আলমসহ জাইকা ও সরকারের উর্ধতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
























