প্রায় দুই যুগের অপেক্ষা! ২০০৩ সালে শেষবার সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এরপর দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের বিশ্বকাপখ্যাত এই টুর্নামেন্টে আর ট্রফি ছুঁয়ে দেখা হয়নি লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের। দীর্ঘ সেই আক্ষেপ ঘোচানোর সুযোগ এবার ঘরের মাঠে। নিজেদের দর্শকদের সামনে শিরোপা খরা কাটানোর ব্যাপারে আশাবাদী বাংলাদেশের ডিফেন্ডার তপু বর্মন। অধিনায়কের দায়িত্ব পাওয়া এই ফুটবলারের বিশ্বাস, বর্তমান দলের সামর্থ্য ও সম্মিলিত পারফরম্যান্স কাজে লাগাতে পারলে এবার ভালো কিছু সম্ভব।
ভারত-পাকিস্তানের লড়াই দিয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার শুরু হবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। দিনের দ্বিতীয় ম্যাচেই মাঠে নামবে বাংলাদেশ। রাত ৮টায় তপু-হামজা চৌধুরীদের প্রতিপক্ষ ভুটান। গ্রুপপর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ১১ নভেম্বর একই সময়ে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে স্বাগতিকেরা।
ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে নিজের দায়িত্ব ও দলের সম্ভাবনা নিয়ে তপু বলেন, ‘অবশ্যই নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব। বিশেষ করে রক্ষণভাগ থেকে পুরো দলকে সহযোগিতা করার চেষ্টা থাকবে, গোলরক্ষকও থাকবেন। আমার মনে হয়, এর চেয়ে ভালো সময় আমরা আর পাব না। ঘরের মাঠে সাফ ফুটবল আয়োজন আমাদের জন্য বড় সুযোগ। ২০০৫ সালের দলের সঙ্গে বর্তমান দলের তুলনা করলে আমার মনে হয়, অনেক পার্থক্য রয়েছে। সেই বিবেচনায় আমাদের সম্ভাবনাও বেশি। তবে সবাই যদি সম্মিলিতভাবে ভালো পারফর্ম করতে পারি এবং দলীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে খেলতে পারি, তাহলে অবশ্যই ভালো কিছু করা সম্ভব।’
ঘরের মাঠে টুর্নামেন্ট, গ্যালারিতে দর্শকদের প্রত্যাশার চাপ-সব মিলিয়ে বাংলাদেশের সামনে চ্যালেঞ্জ কম নয়। তবে সেই চাপকে নেতিবাচকভাবে দেখছেন না তপু। বরং চাপ থেকেই ভালো ফল বের করে আনার প্রত্যাশা তার। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের এই ডিফেন্ডার বলেন, ‘অবশ্যই চাপ আছে। তবে আমার মনে হয়, যেখানে চাপ থাকবে, সেখান থেকেই ভালো ফল বেরিয়ে আসবে। আমাদের সব সময় সচেতন থাকতে হবে, ফুটবলপ্রেমীরা কী চাইছেন এবং কেন তারা আমাদের ওপর চাপ দিচ্ছেন। তাদের প্রত্যাশা আসলে ম্যাচ জেতা এবং ট্রফি জয় করা।’
গ্রুপপর্বে বাংলাদেশের আরেক প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কাও কঠিন পরীক্ষা নিতে পারে। দলটিতে ১৮-১৯ জন প্রবাসী ফুটবলার রয়েছেন। এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে ৯ পয়েন্ট অর্জন করা লঙ্কানদের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সও নজর কেড়েছে। তাই তাদের হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ দেখছেন না তপু, ‘নিশ্চিতভাবেই শ্রীলঙ্কা দলে বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় ফিরেছেন। তাদের দল এখন আগের মতো নেই। বর্তমানে তারা যেকোনো দলের বিপক্ষে লড়াই করার সামর্থ্য রাখে। এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে তাদের আগের পারফরম্যান্সের দিকে তাকালে দেখা যায়, তারা ৯ পয়েন্ট অর্জন করেছে। এটা মোটেও সহজ কোনো বিষয় নয়। নিশ্চিতভাবেই তাদের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে।’
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটাতে হলে শুধু ব্যক্তিগত নৈপুণ্য নয়, দলীয় সমন্বয়ও হবে বাংলাদেশের বড় শক্তি। তপুর কথাতেও সেই বার্তা স্পষ্ট। ঘরের মাঠে সমর্থকদের প্রত্যাশা পূরণ করে শিরোপা জিততে হলে শুরু থেকেই মাঠের পারফরম্যান্সে তার প্রত


























