মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০৬:০৫ অপরাহ্ন | ২৮শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | বুধবার, ১২ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

ওসমানীনগরে ভয়াবহ লোডশেডিং: অন্ধকারে ২ লাখ মানুষ, বিপর্যস্ত জনজীবন

  • হালনাগাদ সময় : ১১:১৮:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় তীব্র লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন প্রায় দুই লাখ মানুষ। জ্বালানি সংকটের প্রভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় দিন-রাত ঘণ্টার পর ঘণ্টা অন্ধকারে কাটাতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। বিশেষ করে দিনের বেলা চাহিদার অর্ধেকেরও কম বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ায় জনজীবন কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় দিনের বেলা ১০ থেকে ১২ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে মাত্র ৪ থেকে ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। রাতে চাহিদা বেড়ে ১৬ থেকে ১৭ মেগাওয়াটে পৌঁছালেও সরবরাহ থাকছে অত্যন্ত নগণ্য। ফলে কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকছে পুরো এলাকা। বুধবার টানা চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষের ক্ষোভ চরমে পৌঁছায়।

অব্যাহত এই বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। আসন্ন এসএসসি এবং প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে গিয়ে তারা চরম বিড়ম্বনায় পড়ছে। এছাড়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, ফটোকপি ও কম্পিউটার সার্ভিস এবং ওয়েল্ডিং কারখানার মালিকরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। স্থানীয় বিদ্যুৎ কর্মকর্তাদের মতে, জাতীয় গ্রিড থেকে পর্যাপ্ত সরবরাহ না পাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বেগের কারণ নেই: ইসি সচিব

28 October 2026

আইইডিসিআর পরিচালককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে ড্যাব নেতা জাহিদ হাসান বহিষ্কৃত

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

ওসমানীনগরে ভয়াবহ লোডশেডিং: অন্ধকারে ২ লাখ মানুষ, বিপর্যস্ত জনজীবন

হালনাগাদ সময় : ১১:১৮:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় তীব্র লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন প্রায় দুই লাখ মানুষ। জ্বালানি সংকটের প্রভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় দিন-রাত ঘণ্টার পর ঘণ্টা অন্ধকারে কাটাতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। বিশেষ করে দিনের বেলা চাহিদার অর্ধেকেরও কম বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ায় জনজীবন কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় দিনের বেলা ১০ থেকে ১২ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে মাত্র ৪ থেকে ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। রাতে চাহিদা বেড়ে ১৬ থেকে ১৭ মেগাওয়াটে পৌঁছালেও সরবরাহ থাকছে অত্যন্ত নগণ্য। ফলে কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকছে পুরো এলাকা। বুধবার টানা চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষের ক্ষোভ চরমে পৌঁছায়।

অব্যাহত এই বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। আসন্ন এসএসসি এবং প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে গিয়ে তারা চরম বিড়ম্বনায় পড়ছে। এছাড়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, ফটোকপি ও কম্পিউটার সার্ভিস এবং ওয়েল্ডিং কারখানার মালিকরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। স্থানীয় বিদ্যুৎ কর্মকর্তাদের মতে, জাতীয় গ্রিড থেকে পর্যাপ্ত সরবরাহ না পাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

Share this news as a Photo Card