সামরিক কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) ফেরদৌস আজিজ সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতকে ‘চিরশত্রু’ হিসেবে অভিহিত করে কঠোর মন্তব্য করেছেন এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও জাতীয় ঐক্যের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, এখন থেকে জন্ম নেওয়া প্রতিটি শিশুকে যেন এই মন্ত্র শেখানো হয়। তিনি তাঁর বক্তব্যে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্রনীতির দুর্বলতার সমালোচনা করেন এবং অভিযোগ করেন যে এই নীতি ‘জুলাই বিপ্লবের চেতনার’ প্রতি ‘বেইমানি’ করছে।
কর্নেল (অব.) আজিজ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে প্রশ্ন রাখেন যে কার প্ররোচনায় ডক্টর জাকির নায়েকের আগমন বন্ধ করা হলো, যা পররাষ্ট্রনীতির দুর্বলতার উদাহরণ। তিনি আওয়ামী লীগ শাসনামলের মতো বর্তমান উপদেষ্টাদেরও আম পাঠানোর কূটনৈতিক প্রথাকে ‘তামাশা’ আখ্যা দিয়ে তা বন্ধ করার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, জুলাই বিপ্লবের যোদ্ধারা স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ এবং নতুন ধারার রাজনীতি ও সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার জন্য রক্ত দিয়েছেন, কারো ‘সেবাদাস তৈরি করার জন্য’ নয়।
তিনি একটি সমমর্যাদা ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার ওপর জোর দেন, যেখানে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকলের সমান অধিকার থাকবে এবং সুশাসন নিশ্চিত হবে। তিনি দাবি করেন, আদালতকে স্বাধীন এবং পুলিশ ও সরকারি কর্মকর্তাদের জনগণের সেবক হতে হবে, কোনো রাজনৈতিক দলের ‘চামচা’ নয়। কর্নেল (অব.) ফেরদৌস আজিজ সকল দলমত নির্বিশেষে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন, যা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অপরিহার্য।
রিপোর্টারের নাম 

























