রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীতে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাতেমা আক্তার লিলিকে (১৭) গলা কেটে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হোটেল কর্মচারী মিলনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার ভোরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। গত শনিবার বনশ্রীর একটি বাসায় অত্যন্ত নৃশংসভাবে ওই ছাত্রীকে হত্যা করা হয়েছিল।
নিহত ফাতেমা আক্তার লিলি স্থানীয় রেডিয়েন্ট স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। সে হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার বামৈন গ্রামের সজীব মিয়ার মেয়ে। পরিবারের সঙ্গে সে খিলগাঁও থানার দক্ষিণ বনশ্রী প্রধান সড়কের এল ব্লকের ‘প্রীতম ভিলা’ নামক একটি বাসার চতুর্থ তলায় ভাড়া থাকত।
পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ মেটাতে গত বুধবার লিলির বাবা-মা গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলেন। বাড়িতে লিলি ও তার বড় বোন ছিল। তাদের পরিবারের একটি খাবারের হোটেল রয়েছে, যেখানে অভিযুক্ত মিলন কাজ করত। গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে মিলন ওই বাসায় খাবার পৌঁছে দিতে গেলে কোনো একটি বিষয় নিয়ে লিলির সাথে তার কথা কাটাকাটি ও সামান্য দুর্ব্যবহারের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, সেই ক্ষোভ থেকেই শনিবার সুযোগ বুঝে লিলিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়।
এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের পর নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে খিলগাঁও থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় হোটেলের কর্মচারী মিলনকে প্রধান আসামি করা হয়। পুলিশ জানায়, ঘটনার পর থেকেই মিলন পলাতক ছিল। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সোমবার ভোরে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কোনো কারণ বা অন্য কারো সম্পৃক্ততা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
রিপোর্টারের নাম 

























