দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের পর্যটন শিল্পের বিকাশে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ এহসান উদ্দিনের ব্যক্তিগত উদ্যোগে চালু হয়েছে একটি তথ্যসমৃদ্ধ ওয়েবসাইট mysaintmartinbd.com। সাইটটিতে সেন্টমার্টিন ভ্রমণসংক্রান্ত সব তথ্য, নির্দেশনা এবং প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে।
এই ওয়েবসাইটে স্থানীয়দের হোম স্টে, হোটেল ও রিসোর্টের বিস্তারিত তথ্য নাম, যোগাযোগ নম্বর ও ভাড়ার পরিমাণসহ সংযুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রশাসন, পুলিশ, হাসপাতাল, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও দায়িত্বপ্রাপ্ত বীচকর্মীদের যোগাযোগ নম্বরও সাইটে পাওয়া যাবে।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে সেন্টমার্টিনে রাত্রিযাপন করা যাবে না। ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে দ্বীপে সীমিত পর্যটনের সুযোগ থাকবে। এ সময় কক্সবাজার থেকে জাহাজ চলাচল করবে এবং পর্যটকরা দ্বীপে রাত কাটাতে পারবেন।
ইউএনও শেখ এহসান উদ্দিন জানান, সীমিত সময়ের পর্যটন মৌসুমে স্থানীয় জনগণের আয় কমে যায়। এজন্য জলবায়ু কল্যাণ ট্রাস্ট ফান্ড থেকে ব্র্যাকের মাধ্যমে যাচাই করা ৫০০ পরিবারকে ৫৭ লাখ টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের আয় বাড়াতে কমিউনিটি পর্যটনের ধারণা থেকে “হোম স্টে” ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে, যাতে পর্যটকরা স্থানীয়দের ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতে পারেন এবং সরাসরি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।
তিনি বলেন, “বিলাসবহুল হোটেল-রিসোর্টের কারণে স্থানীয় ছোট হোটেল ও বাড়িগুলো গুরুত্ব হারাচ্ছিল। তাই আমরা একশর বেশি স্থানীয় হোম স্টে ও ছোট হোটেলকে ওয়েবসাইটে যুক্ত করেছি, যাতে পর্যটকরা কম খরচে স্থানীয় জীবনের স্বাদ নিতে পারেন।”
এ ওয়েবসাইটে সেন্টমার্টিনে ভ্রমণের অনলাইন অনুমতি গ্রহণের ব্যবস্থাও রয়েছে। সরকারি, বেসরকারি বা গবেষণার কাজে যারা দ্বীপে যাতায়াত করেন, তারা অনলাইনে কারণ উল্লেখ করে আবেদন করলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অনুমতি ডাউনলোড করতে পারবেন।
শেখ এহসান উদ্দিন আরও জানান, সাইটটিতে রয়েছে সেন্টমার্টিনের দর্শনীয় স্থান, জাহাজের টিকিট লিংক, সময়সূচি, ভাড়া, গুরুত্বপূর্ণ ফোন নম্বর ও সরকারের সর্বশেষ নির্দেশনাসহ দুই শতাধিক হোটেল ও হোম স্টে এর বিস্তারিত তথ্য।
তিনি বলেন, “আমরা সবাই যদি এই উদ্যোগটি প্রচার করি, তাহলে সেন্টমার্টিনবাসীর জীবিকা ও স্থানীয় অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখা সম্ভব।”
রিপোর্টারের নাম 

























