ঢাকা ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে নতুন রহস্য: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দাবি কি ভুল প্রমাণিত হচ্ছে?

ইরানের সামরিক শক্তি তলানিতে ঠেকেছে বলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দাবি করে আসলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার প্রতিরক্ষা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে যে, ধারাবাহিক হামলায় ইরানের কমান্ড কাঠামো ভেঙে পড়েছে। কিন্তু সম্প্রতি ভারত মহাসাগরের দিয়েগো গার্সিয়ায় অবস্থিত মার্কিন ও ব্রিটিশ ঘাঁটির অভিমুখে ইরানের দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনা নতুন করে ভাবিয়ে তুলছে সামরিক বিশ্লেষকদের।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা সাধারণত দুই হাজার কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ বলে ধারণা করা হতো, কিন্তু ৩,৮০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে হামলার চেষ্টা তাদের বর্ধিত সক্ষমতারই বহিঃপ্রকাশ। তেহরানের শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর উপর্যুপরি হামলার পরও কীভাবে এই ধরনের অত্যাধুনিক অভিযান পরিচালিত হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর তার উত্তরসূরি মোজতবা খামেনির নীরবতা এবং পর্দার আড়াল থেকে আসা বার্তাগুলো ইরানের ভবিষ্যৎ রণকৌশল সম্পর্কে এক রহস্যময় পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধ বিশ্বকে দারিদ্র্যের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিচ্ছে: জাতিসংঘের উদ্বেগ

ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে নতুন রহস্য: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দাবি কি ভুল প্রমাণিত হচ্ছে?

আপডেট সময় : ০৫:০৭:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

ইরানের সামরিক শক্তি তলানিতে ঠেকেছে বলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দাবি করে আসলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার প্রতিরক্ষা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে যে, ধারাবাহিক হামলায় ইরানের কমান্ড কাঠামো ভেঙে পড়েছে। কিন্তু সম্প্রতি ভারত মহাসাগরের দিয়েগো গার্সিয়ায় অবস্থিত মার্কিন ও ব্রিটিশ ঘাঁটির অভিমুখে ইরানের দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনা নতুন করে ভাবিয়ে তুলছে সামরিক বিশ্লেষকদের।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা সাধারণত দুই হাজার কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ বলে ধারণা করা হতো, কিন্তু ৩,৮০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে হামলার চেষ্টা তাদের বর্ধিত সক্ষমতারই বহিঃপ্রকাশ। তেহরানের শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর উপর্যুপরি হামলার পরও কীভাবে এই ধরনের অত্যাধুনিক অভিযান পরিচালিত হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর তার উত্তরসূরি মোজতবা খামেনির নীরবতা এবং পর্দার আড়াল থেকে আসা বার্তাগুলো ইরানের ভবিষ্যৎ রণকৌশল সম্পর্কে এক রহস্যময় পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।