ঢাকা ০১:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

অভিযান শেষে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ল বিশ্বের বৃহত্তম মার্কিন রণতরি ‘জেরাল্ড আর ফোর্ড’

মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘ অভিযান শেষে গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের নৌঘাঁটিতে ফিরেছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড’। গত সোমবার রণতরিটি তার নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছায়। এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে জ্বালানি ও প্রয়োজনীয় রসদ সংগ্রহের জন্য এটি সৌদা বে-তে অবস্থান নিয়েছিল।

সম্প্রতি ইরান ও ইসরায়েল ইস্যুতে উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে মার্কিন সামরিক শক্তির বড় মহড়া হিসেবে ‘ফোর্ড’ ও ‘আব্রাহাম লিংকন’ নামে দুটি রণতরি ওই অঞ্চলে মোতায়েন ছিল। তবে এই অভিযান চলাকালীন গত ১২ মার্চ রণতরিটির লন্ড্রি রুমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে দুই নাবিক আহত হওয়ার পাশাপাশি জাহাজের প্রায় শতাধিক শয্যা ভস্মীভূত হয়।

রণতরিটির কারিগরি ও অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা নিয়েও নানা বিতর্ক সামনে এসেছে। মার্কিন গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাঝসমুদ্রে জাহাজটির পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছিল। টয়লেটগুলো ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ায় নৌসেনাদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হতো, যা তাদের মনোবলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, কয়েক ডজন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান সমৃদ্ধ এই বিশাল রণতরিটি সরিয়ে নেওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতিতে একটি বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হতে পারে। মূলত অভ্যন্তরীণ নানা সমস্যা ও দীর্ঘদিনের অভিযানের ক্লান্তি থেকেই রণতরিটিকে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত নিরসনে পোপ লিও’র শান্তির বার্তা

অভিযান শেষে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ল বিশ্বের বৃহত্তম মার্কিন রণতরি ‘জেরাল্ড আর ফোর্ড’

আপডেট সময় : ০৩:৩৮:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘ অভিযান শেষে গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের নৌঘাঁটিতে ফিরেছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড’। গত সোমবার রণতরিটি তার নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছায়। এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে জ্বালানি ও প্রয়োজনীয় রসদ সংগ্রহের জন্য এটি সৌদা বে-তে অবস্থান নিয়েছিল।

সম্প্রতি ইরান ও ইসরায়েল ইস্যুতে উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে মার্কিন সামরিক শক্তির বড় মহড়া হিসেবে ‘ফোর্ড’ ও ‘আব্রাহাম লিংকন’ নামে দুটি রণতরি ওই অঞ্চলে মোতায়েন ছিল। তবে এই অভিযান চলাকালীন গত ১২ মার্চ রণতরিটির লন্ড্রি রুমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে দুই নাবিক আহত হওয়ার পাশাপাশি জাহাজের প্রায় শতাধিক শয্যা ভস্মীভূত হয়।

রণতরিটির কারিগরি ও অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা নিয়েও নানা বিতর্ক সামনে এসেছে। মার্কিন গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাঝসমুদ্রে জাহাজটির পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছিল। টয়লেটগুলো ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ায় নৌসেনাদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হতো, যা তাদের মনোবলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, কয়েক ডজন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান সমৃদ্ধ এই বিশাল রণতরিটি সরিয়ে নেওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতিতে একটি বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হতে পারে। মূলত অভ্যন্তরীণ নানা সমস্যা ও দীর্ঘদিনের অভিযানের ক্লান্তি থেকেই রণতরিটিকে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।