ঢাকা ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

আ আনোয়ারায় মা ও শিশু কন্যার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: স্বামী আটক

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় একটি সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্প থেকে মা ও তাঁর দেড় বছর বয়সী শিশু কন্যার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার বৈরাগ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গুয়াপঞ্চক এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন সুমি আক্তার (২৮) ও তাঁর কন্যা ওয়াসিহা আক্তার। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্বামী মিজানকে আটক করেছে পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, বিকেলে ঘরের ভেতর মা ও মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সুমি আক্তারের মরদেহটি ঝুলন্ত অবস্থায় থাকলেও তাঁর পা মাটির সাথে লেগে ছিল, যা নিয়ে জনমনে রহস্য দানা বেঁধেছে। নিহত সুমির পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এটি আত্মহত্যা নয় বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। বিয়ের পর থেকেই সুমিকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো বলে অভিযোগ করেছেন তাঁর বড় বোন বেবি আক্তার।

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর ছয় থানা এলাকায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬০ জন গ্রেপ্তার

আ আনোয়ারায় মা ও শিশু কন্যার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: স্বামী আটক

আপডেট সময় : ১০:৫৬:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় একটি সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্প থেকে মা ও তাঁর দেড় বছর বয়সী শিশু কন্যার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার বৈরাগ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গুয়াপঞ্চক এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন সুমি আক্তার (২৮) ও তাঁর কন্যা ওয়াসিহা আক্তার। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্বামী মিজানকে আটক করেছে পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, বিকেলে ঘরের ভেতর মা ও মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সুমি আক্তারের মরদেহটি ঝুলন্ত অবস্থায় থাকলেও তাঁর পা মাটির সাথে লেগে ছিল, যা নিয়ে জনমনে রহস্য দানা বেঁধেছে। নিহত সুমির পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এটি আত্মহত্যা নয় বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। বিয়ের পর থেকেই সুমিকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো বলে অভিযোগ করেছেন তাঁর বড় বোন বেবি আক্তার।

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।