ঢাকা ০৯:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও অস্ত্র উৎপাদন নেটওয়ার্কে যুক্তরাষ্ট্রের বড় নিষেধাজ্ঞা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২০:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণের রেশ কাটতে না কাটতেই ইরানের ওপর নতুন করে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ট্রেজারি বিভাগ ইরান-সংশ্লিষ্ট ৩০টিরও বেশি ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এবং কার্গো জাহাজের বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

ট্রেজারি বিভাগের ‘অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল’ (ওএফএসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মূলত অবৈধভাবে ইরানি পেট্রোলিয়াম বিক্রি এবং দেশটির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও উন্নত সমরাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা রুখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা পক্ষগুলোর বিরুদ্ধে ইরানের সামরিক বাহিনীকে প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহায়তা প্রদানের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ওএফএসি এমন কিছু গোপন নেটওয়ার্ককে লক্ষ্যবস্তু করেছে, যারা ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং দেশটির প্রতিরক্ষা ও সশস্ত্র বাহিনী লজিস্টিকস মন্ত্রণালয়কে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য অত্যাধুনিক অস্ত্র উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতি সংগ্রহে সহায়তা করে আসছিল।

মার্কিন প্রশাসনের এই পদক্ষেপের ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইরানের সামরিক ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও চাপের মুখে পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মূলত তেহরানের অস্ত্র বিস্তার রোধ এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যেই এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে ওয়াশিংটন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আদর্শিক মিল থাকলেও রাজনৈতিক মেরুকরণে বিভক্ত কওমি অঙ্গন

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও অস্ত্র উৎপাদন নেটওয়ার্কে যুক্তরাষ্ট্রের বড় নিষেধাজ্ঞা

আপডেট সময় : ০৭:২০:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণের রেশ কাটতে না কাটতেই ইরানের ওপর নতুন করে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ট্রেজারি বিভাগ ইরান-সংশ্লিষ্ট ৩০টিরও বেশি ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এবং কার্গো জাহাজের বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

ট্রেজারি বিভাগের ‘অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল’ (ওএফএসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মূলত অবৈধভাবে ইরানি পেট্রোলিয়াম বিক্রি এবং দেশটির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও উন্নত সমরাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা রুখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা পক্ষগুলোর বিরুদ্ধে ইরানের সামরিক বাহিনীকে প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহায়তা প্রদানের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ওএফএসি এমন কিছু গোপন নেটওয়ার্ককে লক্ষ্যবস্তু করেছে, যারা ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং দেশটির প্রতিরক্ষা ও সশস্ত্র বাহিনী লজিস্টিকস মন্ত্রণালয়কে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য অত্যাধুনিক অস্ত্র উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতি সংগ্রহে সহায়তা করে আসছিল।

মার্কিন প্রশাসনের এই পদক্ষেপের ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইরানের সামরিক ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও চাপের মুখে পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মূলত তেহরানের অস্ত্র বিস্তার রোধ এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যেই এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে ওয়াশিংটন।