ঢাকা ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

সাত বছর পর বেইজিং সফরে যাচ্ছেন ট্রাম্প, নজরে বাণিজ্য ও শুল্ক নীতি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০১:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘ বিরতির পর আবারও দ্বিপাক্ষিক সফরে চীন যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ৩১ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত তিন দিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরের সময়সূচি চূড়ান্ত করেছে হোয়াইট হাউস। ২০১৭ সালের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট বেইজিং সফরে যাচ্ছেন।

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে গত শুক্রবার এই সফরের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ হয়েছে। দুই নেতাই বর্তমান কূটনৈতিক সম্পর্ককে ‘চমৎকার’ ও ‘ফলপ্রসূ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

আসন্ন সফর নিয়ে নিজের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে ট্রাম্প বলেন, “এটি একটি স্মরণীয় সফর হতে যাচ্ছে। চীনের ইতিহাসে এ পর্যন্ত যত বড় আয়োজন হয়েছে, আমাদের এই সফর ও উপস্থিতি তার চেয়েও বিশাল পরিসরে নিশ্চিত করা হবে।”

ট্রাম্পের এই সফরের প্রেক্ষাপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক রায়। আদালত বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের ওপর ট্রাম্পের আরোপিত কিছু বিতর্কিত শুল্ক বাতিল করেছে। উল্লেখ্য, ট্রাম্প তার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নীতি বাস্তবায়নে শুল্ককে বরাবরই একটি কৌশলগত ‘অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার করার পক্ষে মত দিয়ে আসছিলেন।

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, বেইজিংয়ের এই বৈঠকে মূল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে বাণিজ্য শুল্ক এবং এর বিপরীতে চীনের প্রতিক্রিয়া। বিশেষ করে, মার্কিন শুল্ক নীতির কারণে চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে সয়াবিন কেনা বন্ধ করার যে হুমকি দিয়েছে, তা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দরকষাকষি হতে পারে। সয়াবিন যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি খাতের অন্যতম শীর্ষ পণ্য হওয়ায় বিষয়টি ওয়াশিংটনের জন্য বেশ উদ্বেগের।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বেশ কয়েকজন পশ্চিমা নেতা বেইজিং সফর করেছেন। যার মধ্যে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সফরটি ছিল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি চীনের সঙ্গে নতুন বাণিজ্য চুক্তি এবং বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনা করেছিলেন। বিশ্ব রাজনীতির এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের এই চীন সফর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধ বিশ্বকে দারিদ্র্যের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিচ্ছে: জাতিসংঘের উদ্বেগ

সাত বছর পর বেইজিং সফরে যাচ্ছেন ট্রাম্প, নজরে বাণিজ্য ও শুল্ক নীতি

আপডেট সময় : ০২:০১:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দীর্ঘ বিরতির পর আবারও দ্বিপাক্ষিক সফরে চীন যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ৩১ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত তিন দিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরের সময়সূচি চূড়ান্ত করেছে হোয়াইট হাউস। ২০১৭ সালের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট বেইজিং সফরে যাচ্ছেন।

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে গত শুক্রবার এই সফরের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ হয়েছে। দুই নেতাই বর্তমান কূটনৈতিক সম্পর্ককে ‘চমৎকার’ ও ‘ফলপ্রসূ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

আসন্ন সফর নিয়ে নিজের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে ট্রাম্প বলেন, “এটি একটি স্মরণীয় সফর হতে যাচ্ছে। চীনের ইতিহাসে এ পর্যন্ত যত বড় আয়োজন হয়েছে, আমাদের এই সফর ও উপস্থিতি তার চেয়েও বিশাল পরিসরে নিশ্চিত করা হবে।”

ট্রাম্পের এই সফরের প্রেক্ষাপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক রায়। আদালত বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের ওপর ট্রাম্পের আরোপিত কিছু বিতর্কিত শুল্ক বাতিল করেছে। উল্লেখ্য, ট্রাম্প তার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নীতি বাস্তবায়নে শুল্ককে বরাবরই একটি কৌশলগত ‘অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার করার পক্ষে মত দিয়ে আসছিলেন।

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, বেইজিংয়ের এই বৈঠকে মূল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে বাণিজ্য শুল্ক এবং এর বিপরীতে চীনের প্রতিক্রিয়া। বিশেষ করে, মার্কিন শুল্ক নীতির কারণে চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে সয়াবিন কেনা বন্ধ করার যে হুমকি দিয়েছে, তা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দরকষাকষি হতে পারে। সয়াবিন যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি খাতের অন্যতম শীর্ষ পণ্য হওয়ায় বিষয়টি ওয়াশিংটনের জন্য বেশ উদ্বেগের।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বেশ কয়েকজন পশ্চিমা নেতা বেইজিং সফর করেছেন। যার মধ্যে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সফরটি ছিল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি চীনের সঙ্গে নতুন বাণিজ্য চুক্তি এবং বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনা করেছিলেন। বিশ্ব রাজনীতির এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের এই চীন সফর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।