ঢাকা ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

থাইল্যান্ডে প্রাণঘাতী ভাইরাসের থাবা: প্রাণ হারাল ৭২ বাঘ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৮:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ চিয়াং মাইয়ের একটি চিড়িয়াখানায় ভয়াবহ ভাইরাস সংক্রমণে অন্তত ৭২টি বাঘের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার প্রদেশের প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে জানানো হয়, ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার পর মৃত বাঘগুলোর শরীরে অতি সংক্রামক ‘ক্যানাইন ডিসটেম্পার’ ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এর পাশাপাশি বাঘগুলো শ্বাসযন্ত্রের গুরুতর ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণেও ভুগছিল। মূলত এই দ্বিমুখী সংক্রমণের কারণেই বাঘগুলোর দ্রুত মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে থাইল্যান্ডের জাতীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক সমচুয়ান রাটানামুঙক্লানন স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, বাঘের মতো বন্যপ্রাণীর অসুস্থতা প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা অত্যন্ত দুরূহ। তিনি বলেন, “কুকুর বা বিড়ালের মতো গৃহপালিত প্রাণীর অসুস্থতা সহজে বোঝা গেলেও বাঘের ক্ষেত্রে তা ভিন্ন। যখন আমরা বুঝতে পারি যে প্রাণীগুলো অসুস্থ হয়ে পড়েছে, ততক্ষণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং চিকিৎসার জন্য খুব একটা সময় হাতে থাকে না।”

কর্তৃপক্ষ বর্তমানে চিড়িয়াখানাটিতে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছে এবং সংক্রমণের বিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তবে এত বিপুল সংখ্যক বাঘের মৃত্যুতে দেশটির বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ব্যবস্থার চ্যালেঞ্জগুলো আবারও সামনে চলে এসেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধ বিশ্বকে দারিদ্র্যের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিচ্ছে: জাতিসংঘের উদ্বেগ

থাইল্যান্ডে প্রাণঘাতী ভাইরাসের থাবা: প্রাণ হারাল ৭২ বাঘ

আপডেট সময় : ১২:৪৮:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ চিয়াং মাইয়ের একটি চিড়িয়াখানায় ভয়াবহ ভাইরাস সংক্রমণে অন্তত ৭২টি বাঘের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার প্রদেশের প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে জানানো হয়, ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার পর মৃত বাঘগুলোর শরীরে অতি সংক্রামক ‘ক্যানাইন ডিসটেম্পার’ ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এর পাশাপাশি বাঘগুলো শ্বাসযন্ত্রের গুরুতর ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণেও ভুগছিল। মূলত এই দ্বিমুখী সংক্রমণের কারণেই বাঘগুলোর দ্রুত মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে থাইল্যান্ডের জাতীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক সমচুয়ান রাটানামুঙক্লানন স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, বাঘের মতো বন্যপ্রাণীর অসুস্থতা প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা অত্যন্ত দুরূহ। তিনি বলেন, “কুকুর বা বিড়ালের মতো গৃহপালিত প্রাণীর অসুস্থতা সহজে বোঝা গেলেও বাঘের ক্ষেত্রে তা ভিন্ন। যখন আমরা বুঝতে পারি যে প্রাণীগুলো অসুস্থ হয়ে পড়েছে, ততক্ষণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং চিকিৎসার জন্য খুব একটা সময় হাতে থাকে না।”

কর্তৃপক্ষ বর্তমানে চিড়িয়াখানাটিতে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছে এবং সংক্রমণের বিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তবে এত বিপুল সংখ্যক বাঘের মৃত্যুতে দেশটির বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ব্যবস্থার চ্যালেঞ্জগুলো আবারও সামনে চলে এসেছে।