আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে পাকিস্তানের বিমান হামলায় অন্তত ১৭ জনের প্রাণহানির ঘটনায় দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এই বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এর পাল্টা জবাব দেওয়ার কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে কাবুলের তালেবান সরকার। পাকিস্তানের এই পদক্ষেপকে আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্বের ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছে তারা।
আফগান সরকারের পক্ষ থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পাকিস্তান আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে আফগানিস্তানের ভূখণ্ডে হামলা চালিয়েছে। এই আগ্রাসনের বিপরীতে প্রতিক্রিয়া জানানোর পূর্ণ অধিকার কাবুলের রয়েছে। হামলার সময় এবং প্রকৃতি তালেবান নেতৃত্বই নির্ধারণ করবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। তবে সামরিক পদক্ষেপের পাশাপাশি কূটনীতির পথও খোলা রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, পাকিস্তান দাবি করেছে যে তারা সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সন্ত্রাসীদের আস্তানা লক্ষ্য করে এই অভিযান পরিচালনা করেছে। ইসলামাবাদ এই হামলাকে তাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় বলে অভিহিত করলেও কাবুল তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।
হামলার ঘটনার পরপরই তালেবানের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা এক জরুরি বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে পাকিস্তানের এই উস্কানিমূলক আচরণের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য পদক্ষেপগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে আফগান প্রশাসন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানের ফলে দীর্ঘদিনের অস্থির এই অঞ্চলে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 





















