ঢাকা ০১:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

কারচুপির অভিযোগ: চট্টগ্রাম-৫ আসনে পরাজিত প্রার্থী নির্বাচন প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী ও বায়েজিদ আংশিক) আসনে কারচুপির মাধ্যমে তাকে পরাজিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ১১ দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থী মাওলানা নাছির উদ্দীন মুনির। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের রিক্সা প্রতীকের এই প্রার্থী শুক্রবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ উত্থাপন করেন এবং নির্বাচনের ফলাফল ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেন।

সংবাদ সম্মেলনে মাওলানা মুনির বলেন, নির্বাচনের দিন সকাল থেকেই আসনের বিভিন্ন কেন্দ্রে তার এজেন্টদের জোরপূর্বক বের করে দেওয়া হয়। ফরহাদাবাদ ৪নং, মির্জাপুর ৮নং, হাটহাজারী পৌরসভা ৬নং, চিকনদণ্ডী ১নং, উত্তর মাদার্শা ৪নং মাহলুমা কেন্দ্রসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র থেকে তার নির্বাচনী এজেন্টদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হয় এবং তাদের বের করে দেওয়া হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, সকালের দিকে কিছু কেন্দ্রে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারদের জিম্মি করে ব্যাপক হারে জাল ভোট প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিএনপি দলীয় পছন্দের প্রিজাইডিং অফিসারদের মাধ্যমে সূক্ষ্ম কারচুপি ও ইঞ্জিনিয়ারিং করে ফলাফল প্রভাবিত করা হয়েছে।

প্রার্থী মুনির তার অভিযোগের স্বপক্ষে বলেন, পোস্টাল ব্যালটের ফলাফলে তিনি তুলনামূলকভাবে বেশি ভোট পেয়েছেন, যা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতার প্রমাণ বহন করে। তিনি দাবি করেন, যদি কেন্দ্রগুলোতেও একই ধরনের নিরপেক্ষতা ও স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় থাকত, তবে তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হতেন। এই প্রেক্ষাপটে, তিনি জোর দিয়ে বলেন যে তিনি পরাজিত হননি, বরং তাকে পরিকল্পিতভাবে পরাজিত করা হয়েছে। এই অনিয়ম ও কারচুপির কারণে তিনি নির্বাচনের ফলাফলকে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কারচুপির অভিযোগ: চট্টগ্রাম-৫ আসনে পরাজিত প্রার্থী নির্বাচন প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৯:০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী ও বায়েজিদ আংশিক) আসনে কারচুপির মাধ্যমে তাকে পরাজিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ১১ দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থী মাওলানা নাছির উদ্দীন মুনির। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের রিক্সা প্রতীকের এই প্রার্থী শুক্রবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ উত্থাপন করেন এবং নির্বাচনের ফলাফল ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেন।

সংবাদ সম্মেলনে মাওলানা মুনির বলেন, নির্বাচনের দিন সকাল থেকেই আসনের বিভিন্ন কেন্দ্রে তার এজেন্টদের জোরপূর্বক বের করে দেওয়া হয়। ফরহাদাবাদ ৪নং, মির্জাপুর ৮নং, হাটহাজারী পৌরসভা ৬নং, চিকনদণ্ডী ১নং, উত্তর মাদার্শা ৪নং মাহলুমা কেন্দ্রসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র থেকে তার নির্বাচনী এজেন্টদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হয় এবং তাদের বের করে দেওয়া হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, সকালের দিকে কিছু কেন্দ্রে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারদের জিম্মি করে ব্যাপক হারে জাল ভোট প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিএনপি দলীয় পছন্দের প্রিজাইডিং অফিসারদের মাধ্যমে সূক্ষ্ম কারচুপি ও ইঞ্জিনিয়ারিং করে ফলাফল প্রভাবিত করা হয়েছে।

প্রার্থী মুনির তার অভিযোগের স্বপক্ষে বলেন, পোস্টাল ব্যালটের ফলাফলে তিনি তুলনামূলকভাবে বেশি ভোট পেয়েছেন, যা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতার প্রমাণ বহন করে। তিনি দাবি করেন, যদি কেন্দ্রগুলোতেও একই ধরনের নিরপেক্ষতা ও স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় থাকত, তবে তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হতেন। এই প্রেক্ষাপটে, তিনি জোর দিয়ে বলেন যে তিনি পরাজিত হননি, বরং তাকে পরিকল্পিতভাবে পরাজিত করা হয়েছে। এই অনিয়ম ও কারচুপির কারণে তিনি নির্বাচনের ফলাফলকে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করছেন।