ঢাকা ১২:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬

গোপালগঞ্জ-২ আসনে ১১ দলীয় জোট প্রার্থীর ১০ দফা উন্নয়ন ইশতেহার ঘোষণা

গোপালগঞ্জ-২ আসনে (সংসদীয় আসন ২১৬) একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী শুয়াইব ইবরাহীম তাঁর দলের ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের সমর্থনে একটি বিস্তারিত উন্নয়ন ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। তিনি জাতির উদ্দেশ্যে বলেন, “দেশের জনগণ যেভাবে চাইবে, সেভাবেই আমরা দেশ পরিচালনা করব। জনগণ যদি শরিয়াহ আইন চায়, তাহলে আমরা শরিয়াহ আইনেই দেশ পরিচালনা করব।”

শুয়াইব ইবরাহীম তাঁর বক্তব্যে এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো তুলে ধরেন এবং সেগুলোর স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে তাঁর ১০ দফা উন্নয়নমূলক কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তাঁর প্রধান নির্বাচনী অঙ্গীকারগুলো হলো:

১. শিক্ষা উন্নয়ন: গোপালগঞ্জ-২ আসনকে শিক্ষায় অগ্রগামী হিসেবে গড়ে তোলা।
২. কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়ন: যুবকদের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানো।
৩. কৃষি ও কৃষক উন্নয়ন: কৃষকদের জীবনে সমৃদ্ধি আনা এবং কৃষি খাতের সামগ্রিক উন্নয়ন সাধন।
৪. স্বাস্থ্যসেবা: সকলের জন্য সহজলভ্য ও মানবিক চিকিৎসা নিশ্চিত করা।
৫. অবকাঠামো ও জনসেবা: এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং উন্নত জনসেবা প্রদান।
৬. সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন: একটি স্বচ্ছ, সুশাসিত ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন প্রতিষ্ঠা।
৭. সামাজিক উন্নয়ন ও মানবিক সহায়তা: সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং মানবিক সহায়তা প্রদান।
৮. শান্তি-সম্প্রীতির উদ্যোগ: গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব, সহিংসতা ও রক্তপাত বন্ধে শান্তি ও সম্প্রীতির পরিবেশ সৃষ্টি।
৯. সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা: সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার, মর্যাদা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
১০. নারীর সুরক্ষা ও অধিকার: শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং জীবনের সকল ক্ষেত্রে নারীর সুরক্ষা ও অধিকার প্রতিষ্ঠা।

এ সময় গোপালগঞ্জ-২ আসনের ১১ দলীয় জোটের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য মুফতি মোরতাযা হাসান, সদস্যসচিব মুফতি আহমদুল্লাহ, জেলা প্রচার ও মিডিয়াবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট কাজী ইজহারুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের সহসভাপতি মুফতি আবুল ফাতাহ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের উপদেষ্টা মুফতি মাসউদুর রহমান ও মাওলানা ওমার ফারুক উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী পুরস্কার পেলেন খালেদা জিয়াসহ ৬ জন

গোপালগঞ্জ-২ আসনে ১১ দলীয় জোট প্রার্থীর ১০ দফা উন্নয়ন ইশতেহার ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৩:৩৮:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

গোপালগঞ্জ-২ আসনে (সংসদীয় আসন ২১৬) একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী শুয়াইব ইবরাহীম তাঁর দলের ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের সমর্থনে একটি বিস্তারিত উন্নয়ন ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। তিনি জাতির উদ্দেশ্যে বলেন, “দেশের জনগণ যেভাবে চাইবে, সেভাবেই আমরা দেশ পরিচালনা করব। জনগণ যদি শরিয়াহ আইন চায়, তাহলে আমরা শরিয়াহ আইনেই দেশ পরিচালনা করব।”

শুয়াইব ইবরাহীম তাঁর বক্তব্যে এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো তুলে ধরেন এবং সেগুলোর স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে তাঁর ১০ দফা উন্নয়নমূলক কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তাঁর প্রধান নির্বাচনী অঙ্গীকারগুলো হলো:

১. শিক্ষা উন্নয়ন: গোপালগঞ্জ-২ আসনকে শিক্ষায় অগ্রগামী হিসেবে গড়ে তোলা।
২. কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়ন: যুবকদের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানো।
৩. কৃষি ও কৃষক উন্নয়ন: কৃষকদের জীবনে সমৃদ্ধি আনা এবং কৃষি খাতের সামগ্রিক উন্নয়ন সাধন।
৪. স্বাস্থ্যসেবা: সকলের জন্য সহজলভ্য ও মানবিক চিকিৎসা নিশ্চিত করা।
৫. অবকাঠামো ও জনসেবা: এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং উন্নত জনসেবা প্রদান।
৬. সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন: একটি স্বচ্ছ, সুশাসিত ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন প্রতিষ্ঠা।
৭. সামাজিক উন্নয়ন ও মানবিক সহায়তা: সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং মানবিক সহায়তা প্রদান।
৮. শান্তি-সম্প্রীতির উদ্যোগ: গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব, সহিংসতা ও রক্তপাত বন্ধে শান্তি ও সম্প্রীতির পরিবেশ সৃষ্টি।
৯. সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা: সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার, মর্যাদা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
১০. নারীর সুরক্ষা ও অধিকার: শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং জীবনের সকল ক্ষেত্রে নারীর সুরক্ষা ও অধিকার প্রতিষ্ঠা।

এ সময় গোপালগঞ্জ-২ আসনের ১১ দলীয় জোটের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য মুফতি মোরতাযা হাসান, সদস্যসচিব মুফতি আহমদুল্লাহ, জেলা প্রচার ও মিডিয়াবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট কাজী ইজহারুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের সহসভাপতি মুফতি আবুল ফাতাহ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের উপদেষ্টা মুফতি মাসউদুর রহমান ও মাওলানা ওমার ফারুক উপস্থিত ছিলেন।