সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীদের প্রচারে সরব হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) নির্বাচনি এলাকা। হাটবাজার, চায়ের স্টল থেকে শুরু করে গ্রামীণ জনপদে ভোটারদের মন জয় করার জন্য নানা কৌশলে প্রার্থীদের প্রচারে মুখরিত গ্রাম-গ্রামান্তর।
ওই আসনে মূল দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াই। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. রেজা কিবরিয়া ও বিএনপির বিদ্রোহী (বর্তমানে বহিস্কৃত) স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক এমপি শেখ সুজাত মিয়ার মধ্যে হবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। ইতিমধ্যে নির্বাচনে প্রচারে এগিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ সুজাত মিয়া।
বিএনপির প্রার্থী ড. রেজা কিবরিয়া নির্বাচনি প্রচারে তেমন সময় না দিলেও চমক সৃষ্টি করেছেন তার পত্নী সিমি কিবরিয়া। তিনি দলীয় নেতাকর্মী নিয়ে গ্রামেগঞ্জে স্বামী বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়ার পক্ষে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন।
তবে বেশির ভাগ দলীয় নেতাকর্মীদের ভোটের মাঠে দেখা যাচ্ছে না। তাদের অভিযোগ দলীয় প্রার্থী ও দায়িত্বশীল নেতারা তাদের অবমূল্যায়ন করছেন। অন্য দিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ সুজাত মিয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার আবেগঘন লেখা পোস্ট করে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।
তিনি তার ফেসবুক আইডিতে তার দীর্ঘ ৪০ বছরের বিএনপির রাজনীতিতে অবদান, দলীয় নেতাকর্মীদের ভালোবাসা, দলের জন্য তার জীবন, যৌবন, অর্থ-বিত্ত বির্সজনসহ তার মৃত্যুতে দলের ভাই হিসেবে জানাজার নামাজে অংশ গ্রহণ করার আহ্বান ইত্যাদি লেখা দিয়ে সাধারণ মানুষের মনে ঠাঁই করে নিচ্ছেন।
এ ব্যাপারে শেখ সুজাত মিয়া বলেন, যে দলের জন্য জীবনের ৪০টি বছরে সবকিছু বিলিয়ে দিলাম। আজ সেই দল আমাকে ত্যাগ করল। এখন আমার কোনো দল নেই। এলাকার মানুষ, দলের তৃণমূল নেতাকর্মীরাই আমার শেষ ভরসা। তার বিশ্বাস, মানুষ তাকে হৃদয় থেকে ভালোবাসে এবং নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন।
ড. রেজা কিবরিয়ার সহধর্মিণী সিমি কিবরিয়া বলেন, ‘২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করায় স্বামীর নির্বাচনি প্রচারে অংশ নিতে পারেননি। ত্রয়োদশ নির্বাচনে স্বামীর পাশে থেকে নির্বাচনে কাজ করতে গিয়ে দলের নেতাকমীদের আন্তরিক সহযোগিতায় তিনি মুগ্ধ হয়েছেন। তিনি তার স্বামী নির্বাচিত হলে দেশ তথা নবীগঞ্জ-বাহুবল এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন হবে। জয়ের ব্যাপারে তিনি শতভাগ আশাবাদী।’
রিপোর্টারের নাম 























