আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে ১০ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুকের সমর্থনে ‘মার্চ ফর দাঁড়িপাল্লা’ কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে চকরিয়া পৌর সদরে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে দাঁড়িপাল্লা সমর্থকদের ব্যাপক উপস্থিতিতে পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে এদিন চকরিয়া পৌর বাসটার্মিনালে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মোহাম্মদ শাহজাহান। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম।
মাওলানা মোহাম্মদ শাহজাহান তাঁর বক্তব্যে সাম্য, মানবিকতা এবং কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুককে বিজয়ী করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি ‘জুলাই জাতীয় সনদ’কে সাংবিধানিক রূপ দিতে নতুন বাংলাদেশে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে রায় দেওয়ার জন্যও উপস্থিত জনতার প্রতি আহ্বান জানান।
প্রধান বক্তা নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দেশের সর্বস্তরের মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে তারা নতুন বাংলাদেশ গঠনের পক্ষে রায় দেবে। তিনি আরও মন্তব্য করেন যে, জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোট রাষ্ট্র ক্ষমতায় এলে দুর্নীতি দমনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন রনি, ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয় এইচআরএস সম্পাদক মোহাম্মদ সাইদুর রহমান, কক্সবাজার জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ, জামায়াতের চকরিয়া-পেকুয়া আসনের পরিচালক আখতার আহমদ এবং ইসলামী ছাত্র শিবিরের কক্সবাজার জেলা সভাপতি মীর মোহাম্মদ আবু তালহা। এছাড়াও চকরিয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আবুল বশর, পৌর জামায়াতের আমীর আরিফুল কবির, মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা জামায়াতের আমীর ফরিদুল আলম, পেকুয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা ইমতিয়াজ উদ্দিন এবং চকরিয়া উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান চৌধুরী মানিক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
সমাবেশ শেষে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চকরিয়া পৌর বাসটার্মিনাল থেকে একটি গণমিছিল বের হয়। মিছিলটি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের জিদ্দাবাজারে গিয়ে শেষ হয়।
রিপোর্টারের নাম 



















