গাইবান্ধায় এক বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। গত শুক্রবার রাতে সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়ন থেকে পলাতক থাকা এই আসামিকে আটক করা হয়। শনিবার তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১৩, সিপিসি-৩, গাইবান্ধা ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম খামার দশলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত আসামির নাম মো. লাল মিয়া (৪৫)। তিনি পশ্চিম খামার দশলিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল করিমের ছেলে এবং ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবারের প্রতিবেশী।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী কিশোরী একজন বাকপ্রতিবন্ধী। গত অক্টোবর মাসের এক সকালে ভুক্তভোগী নিজ বাড়ি থেকে প্রতিবেশী লাল মিয়ার বাড়িতে বেড়াতে যায়। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সে বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবার খোঁজাখুঁজি শুরু করে। একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর মা আসামিকে বাড়ির পাশে তার মেয়েকে ধর্ষণরত অবস্থায় দেখতে পান এবং চিৎকার দেন। এসময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসতে দেখে আসামি লাল মিয়া ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকেই লাল মিয়া গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে ছিলেন।
র্যাব-১৩ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার গোস্বামী জানান, মামলার গুরুত্ব বিবেচনা করে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র্যাব গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাবের অভিযানে চাঞ্চল্যকর এই শিশু ধর্ষণ মামলার মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অপহরণ, হত্যা, ধর্ষণসহ সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
রিপোর্টারের নাম 




















