ঢাকা ০৯:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে উত্তরের জনপদ: তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.৪ ডিগ্রি

হিমালয়ের পাদদেশবর্তী জেলা পঞ্চগড়ে জেঁকে বসেছে হাড়কাঁপানো শীত। উত্তরের হিমেল হাওয়া আর মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সীমান্ত জনপদ তেঁতুলিয়ার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। সোমবার সকালে এই উপজেলায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

আবহহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত এক সপ্তাহ ধরেই এই অঞ্চলে তাপমাত্রার পারদ ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে, যা স্থানীয় জনজীবনে চরম দুর্ভোগ বয়ে এনেছে। বিশেষ করে ভোরে ও রাতে শীতের তীব্রতা এতটাই বাড়ছে যে, অতি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না।

স্থানীয় আবহাওয়া পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রাতভর গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির মতো ঘন কুয়াশা ঝরছে। দিনের বেলা কুয়াশা কিছুটা কেটে গিয়ে সূর্যের দেখা মিললেও রোদের প্রখরতা ছিল অত্যন্ত নগণ্য। ফলে দুপুর গড়িয়ে গেলেও কনকনে শীতের আমেজ থেকে মুক্তি মিলছে না। কনকনে ঠান্ডা বাতাসে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ।

তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার জানিয়েছে, আকাশ পরিষ্কার থাকলেও উত্তর দিক থেকে আসা হিমেল বাতাসের কারণে শীতের তীব্রতা অনেক বেশি অনুভূত হচ্ছে। দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের কাছাকাছি থাকলেও বাতাসের কারণে ঠান্ডার প্রকোপ কমছে না। আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই তীব্র শীত ও শৈত্যপ্রবাহ আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তুরস্কে গ্যাস লিকেজ: প্রবাসী বাবা-ছেলের মর্মান্তিক প্রয়াণ, একজন আশঙ্কাজনক

মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে উত্তরের জনপদ: তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.৪ ডিগ্রি

আপডেট সময় : ১২:২৬:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

হিমালয়ের পাদদেশবর্তী জেলা পঞ্চগড়ে জেঁকে বসেছে হাড়কাঁপানো শীত। উত্তরের হিমেল হাওয়া আর মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সীমান্ত জনপদ তেঁতুলিয়ার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। সোমবার সকালে এই উপজেলায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

আবহহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত এক সপ্তাহ ধরেই এই অঞ্চলে তাপমাত্রার পারদ ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে, যা স্থানীয় জনজীবনে চরম দুর্ভোগ বয়ে এনেছে। বিশেষ করে ভোরে ও রাতে শীতের তীব্রতা এতটাই বাড়ছে যে, অতি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না।

স্থানীয় আবহাওয়া পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রাতভর গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির মতো ঘন কুয়াশা ঝরছে। দিনের বেলা কুয়াশা কিছুটা কেটে গিয়ে সূর্যের দেখা মিললেও রোদের প্রখরতা ছিল অত্যন্ত নগণ্য। ফলে দুপুর গড়িয়ে গেলেও কনকনে শীতের আমেজ থেকে মুক্তি মিলছে না। কনকনে ঠান্ডা বাতাসে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ।

তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার জানিয়েছে, আকাশ পরিষ্কার থাকলেও উত্তর দিক থেকে আসা হিমেল বাতাসের কারণে শীতের তীব্রতা অনেক বেশি অনুভূত হচ্ছে। দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের কাছাকাছি থাকলেও বাতাসের কারণে ঠান্ডার প্রকোপ কমছে না। আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই তীব্র শীত ও শৈত্যপ্রবাহ আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে।