মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
১২:২৭ অপরাহ্ন | ৬ই নভেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | শুক্রবার, ২১শে কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

নির্ধারিত দামে মিলছে না এলপিজি, চড়া দামে বিক্রির অভিযোগ

  • হালনাগাদ সময় : ০৯:৪০:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

সরকার নির্ধারিত দামের তোয়াক্কা না করে সারাদেশে এলপি গ্যাস চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। ১২ কেজির বোতলের দাম ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হলেও রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় তা ২ হাজার ২৫০ থেকে ২ হাজার ৩৫০ টাকায় বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে।

পরিবেশকদের দাবি, ১২ কেজির এলপিজি তাদের ১ হাজার ৯০৫ টাকায় পাওয়ার কথা। কিন্তু মাত্র ৪টি কোম্পানি নির্ধারিত দরে সরবরাহ করলেও অধিকাংশ কোম্পানি অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে। ক্যাশমেমোতে বিইআরসি নির্ধারিত মূল্য লেখা হলেও বাড়তি টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এলপিজি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির নেতারা জানান, আমদানিকারকরা অতিরিক্ত দাম নিলে খুচরা বাজারে তার প্রভাব পড়ে। বিষয়টি প্রমাণসহ জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং বিইআরসি চেয়ারম্যানকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক বাজারে দরবৃদ্ধির অযুহাতে আমদানিকারকরা সরবরাহ কমিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে করে বাজারে সাধারণ ভোক্তাদের চরম ভোগান্ত পোহাতে হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার বাতাস আজও ‘অস্বাস্থ্যকর’, শীর্ষে লাহোর

06 November 2026

খাগড়াছড়িতে ভয়াবহ আগুনে পুড়ল ৯ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

নির্ধারিত দামে মিলছে না এলপিজি, চড়া দামে বিক্রির অভিযোগ

হালনাগাদ সময় : ০৯:৪০:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

সরকার নির্ধারিত দামের তোয়াক্কা না করে সারাদেশে এলপি গ্যাস চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। ১২ কেজির বোতলের দাম ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হলেও রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় তা ২ হাজার ২৫০ থেকে ২ হাজার ৩৫০ টাকায় বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে।

পরিবেশকদের দাবি, ১২ কেজির এলপিজি তাদের ১ হাজার ৯০৫ টাকায় পাওয়ার কথা। কিন্তু মাত্র ৪টি কোম্পানি নির্ধারিত দরে সরবরাহ করলেও অধিকাংশ কোম্পানি অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে। ক্যাশমেমোতে বিইআরসি নির্ধারিত মূল্য লেখা হলেও বাড়তি টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এলপিজি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির নেতারা জানান, আমদানিকারকরা অতিরিক্ত দাম নিলে খুচরা বাজারে তার প্রভাব পড়ে। বিষয়টি প্রমাণসহ জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং বিইআরসি চেয়ারম্যানকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক বাজারে দরবৃদ্ধির অযুহাতে আমদানিকারকরা সরবরাহ কমিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে করে বাজারে সাধারণ ভোক্তাদের চরম ভোগান্ত পোহাতে হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card