মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
১০:১২ অপরাহ্ন | ৪ঠা নভেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | বুধবার, ১৯শে কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

মহাস্থান হাটে সবজির দামে ধস, উৎপাদন খরচ না ওঠায় ক্ষুব্ধ কৃষক

  • হালনাগাদ সময় : ০২:৪৯:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা না থাকায় বগুড়ার মহাস্থান পাইকারি সবজির বাজারে শীতকালীন সবজির দামে মারাত্মক ধস নেমেছে। প্রতিদিন কমছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজির দাম। এতে উৎপাদন তো দূরের কথা, পরিবহন ও শ্রমিকের খরচ না ওঠায় চরম হতাশায় পড়েছেন প্রান্তিক চাষিরা। দাম অস্বাভাবিক কমে যাওয়ায় বিক্রি না হওয়া মুলা সড়কে ফেলেই অনেকে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন।

বুধবার সকালে মহাস্থান পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি মণ ফুলকপি ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং মুলা ২০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বাঁধাকপি প্রতিটি ১৫ থেকে ২০ টাকা, লাউ ১৫ থেকে ২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া মণপ্রতি ১ হাজার এবং শিম ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকায় বেচাকেনা হতে দেখা যায়। বেগুন, পটল ও কাঁচা মরিচের দামও বেশ কমেছে।

বাজারের আড়তদার ও সবজিচাষি রহেদুল ইসলাম জানান, প্রাকৃতিক অনুকূল পরিবেশের কারণে এবার সবজির ফলন ভালো হয়েছে। তবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে একসঙ্গে বাজারে পণ্য আসায় সরবরাহ মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে গেছে। এর ফলে লোকসানের বোঝা টানতে হচ্ছে চাষিদের। মোকামতলার কৃষক জাহেদুর রহমান জানান, দুই মণ মুলা বাজারে এনে বিক্রি করে ভ্যানভাড়ার টাকাও জোটেনি, বাধ্য হয়ে অবিক্রীত মুলা রাস্তাতেই ফেলে গেছেন তিনি।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, দক্ষিণাঞ্চলের যশোর ও চুয়াডাঙ্গাসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় এবার শীতকালীন সবজির বাম্পার ফলন হয়েছে। সেখান থেকে সরাসরি বড় চালান ঢাকায় চলে যাওয়ায় মহাস্থান হাটে বাইরের পাইকারদের চাপ কমেছে। ফলে স্থানীয় বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহের কারণে দরপতন দেখা দিয়েছে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রমিকদের বেতন কাঠামো পুনর্বিন্যাসে সরকারের গড়িমসি নিয়ে জামায়াত আমিরের উদ্বেগ

04 November 2026

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও জোরদারে রাষ্ট্রপতির আহ্বান

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

মহাস্থান হাটে সবজির দামে ধস, উৎপাদন খরচ না ওঠায় ক্ষুব্ধ কৃষক

হালনাগাদ সময় : ০২:৪৯:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা না থাকায় বগুড়ার মহাস্থান পাইকারি সবজির বাজারে শীতকালীন সবজির দামে মারাত্মক ধস নেমেছে। প্রতিদিন কমছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজির দাম। এতে উৎপাদন তো দূরের কথা, পরিবহন ও শ্রমিকের খরচ না ওঠায় চরম হতাশায় পড়েছেন প্রান্তিক চাষিরা। দাম অস্বাভাবিক কমে যাওয়ায় বিক্রি না হওয়া মুলা সড়কে ফেলেই অনেকে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন।

বুধবার সকালে মহাস্থান পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি মণ ফুলকপি ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং মুলা ২০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বাঁধাকপি প্রতিটি ১৫ থেকে ২০ টাকা, লাউ ১৫ থেকে ২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া মণপ্রতি ১ হাজার এবং শিম ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকায় বেচাকেনা হতে দেখা যায়। বেগুন, পটল ও কাঁচা মরিচের দামও বেশ কমেছে।

বাজারের আড়তদার ও সবজিচাষি রহেদুল ইসলাম জানান, প্রাকৃতিক অনুকূল পরিবেশের কারণে এবার সবজির ফলন ভালো হয়েছে। তবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে একসঙ্গে বাজারে পণ্য আসায় সরবরাহ মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে গেছে। এর ফলে লোকসানের বোঝা টানতে হচ্ছে চাষিদের। মোকামতলার কৃষক জাহেদুর রহমান জানান, দুই মণ মুলা বাজারে এনে বিক্রি করে ভ্যানভাড়ার টাকাও জোটেনি, বাধ্য হয়ে অবিক্রীত মুলা রাস্তাতেই ফেলে গেছেন তিনি।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, দক্ষিণাঞ্চলের যশোর ও চুয়াডাঙ্গাসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় এবার শীতকালীন সবজির বাম্পার ফলন হয়েছে। সেখান থেকে সরাসরি বড় চালান ঢাকায় চলে যাওয়ায় মহাস্থান হাটে বাইরের পাইকারদের চাপ কমেছে। ফলে স্থানীয় বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহের কারণে দরপতন দেখা দিয়েছে।

Share this news as a Photo Card