লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার আমঝোল সীমান্তে টানা চার দিন অভিযান চালিয়েও চিতাবাঘটির কোনো হদিস মেলেনি। কোনো সন্ধান না পেয়ে শেষ পর্যন্ত ঢাকায় ফিরে গেছে বন বিভাগের উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ দলটি। এর ফলে সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের মাঝে আতঙ্ক আরও ঘনীভূত হয়েছে।
এর আগে গত রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে আমঝোল সীমান্তের ৯০৫ নম্বর আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলারের কাছে চিতাবাঘের হামলায় এক নারীসহ তিনজন আহত হন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শরিফা বেগম নামের এক নারী নিজের ছাগল খুঁজতে গিয়ে বাঘের আক্রমণের শিকার হন। তাঁর চিৎকার শুনে নজরুল ও আফসার নামের দুই ব্যক্তি এগিয়ে এলে বাঘটি তাঁদের ওপরও চড়াও হয়। পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
ঘটনার পর বাঘটির গতিবিধি শনাক্ত করতে রাতে ড্রোন উড়িয়ে নজরদারি চালায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ধানখেতের মধ্য দিয়ে বাঘটির চলাচলের দৃশ্য ড্রোনে ধরা পড়লেও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ড্রোনটি অচল হয়ে পড়লে অভিযান স্থগিত হয়। পরবর্তীতে পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঢাকা থেকে বিশেষজ্ঞ দল এসে চার দিন ধরে সম্ভাব্য বিভিন্ন বিচরণস্থলে অনুসন্ধান চালায়।
হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দীপ জন মিত্র জানান, বিশেষজ্ঞ দলটি সম্ভাব্য স্থানগুলো পরিদর্শন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে। তবে বাঘের অবস্থান নিশ্চিত করা না যাওয়ায় তারা ফিরে গেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সাবধানে চলাচল করতে এবং বাঘের কোনো চিহ্ন দেখলে প্রশাসনকে দ্রুত অবহিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


























