মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন | ৩১শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | শনিবার, ১৫ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

জেদ্দায় ‘হজ সম্মেলন ও প্রদর্শনী’: সেবার সমন্বয়ে জোর দেওয়ার তাগিদ

  • হালনাগাদ সময় : ০২:৩১:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

একটি উড়োজাহাজ সংস্থা যদি নির্ধারিত সময়ে হজযাত্রীদের সৌদি আরবে পৌঁছে দেয়, পরিবহন সংস্থা যদি বাস প্রস্তুত রাখে এবং মক্কার হোটেলও কক্ষ বরাদ্দ রাখে, তবুও এসব সেবার মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয়ের অভাব থাকলে চরম ভোগান্তিতে পড়তে পারেন একজন হজযাত্রী। পবিত্র হজ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এটি অন্যতম বড় একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হয়।

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভিন্ন ভিন্ন ভাষার লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মানুষ নির্দিষ্ট সময়ে একই ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালনের উদ্দেশে পবিত্র ভূমিতে সমবেত হন। দীর্ঘদিনের অপেক্ষা ও ত্যাগের পর শুরু হওয়া এই পবিত্র যাত্রায় সেবাদাতাদের কার্যকারিতার ওপরই নির্ভর করে তাদের অভিজ্ঞতা। একজন সাধারণ হজযাত্রীর কাছে চুক্তি বা নানা প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতার চেয়ে যাত্রাটি কতটা নির্বিঘ্ন ও স্বস্তিদায়ক হলো, সেটিই মুখ্য বিষয়।

মক্কা ও অন্যান্য পবিত্র স্থানে হজের সময়কার বিশাল জনসমাগম দৃশ্যমান হলেও এর পেছনের দীর্ঘ প্রস্তুতির বিষয়টি সচরাচর আড়ালেই থাকে। হজের কয়েক মাস আগে সৌদি আরব ও সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সমন্বিত সিদ্ধান্তের ওপরই পুরো ব্যবস্থাপনার সাফল্য অনেকাংশে নির্ভর করে। বিমানের অবতরণ, বিমানবন্দরের বাইরে বাসের উপস্থিতি এবং পরবর্তী গন্তব্যের আবাসন ব্যবস্থাপনার মধ্যে নিখুঁত সংযোগ না থাকলে দীর্ঘ যাত্রাশেষে আসা মানুষদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

এই প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে আগামী ৮ থেকে ১১ নভেম্বর জেদ্দায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ষষ্ঠ ‘হজ সম্মেলন ও প্রদর্শনী’। আয়োজকদের মতে, কেবল অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বা নতুন প্রযুক্তির ঘোষণার মধ্যেই এই আয়োজন সীমাবদ্ধ নয়; বরং হজ ব্যবস্থাপনায় বাস্তব ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করাই এর মূল লক্ষ্য।

২০২৭ সালের হজ মৌসুমের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সৌদি আরবের হজ ও উমরা মন্ত্রণালয় এবং ‘পিলগ্রিম এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রাম’-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ সম্মেলনে অংশ নেবে ৫২০টিরও বেশি সরকারি, বেসরকারি ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের হজবিষয়ক কার্যালয়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকবেন। বিশ্লেষকদের মতে, এসব অংশীজন একসঙ্গে বসে সেবার সমন্বয়ে কী ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছেন, তার ওপরই নির্ভর করছে ভবিষ্যৎ হজ ব্যবস্থাপনার সার্বিক সাফল্য।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

নারীদের ক্ষমতার দ্বন্দ্বে মুখোমুখি কীর্তি ও রাধিকা, ওটিটিতে ঝড় তুলেছে ‘আক্কা’

30 October 2026

তিন আন্তর্জাতিক উৎসবে প্রদর্শিত হবে বাংলাদেশের সিনেমা 'মাস্টার'

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

জেদ্দায় ‘হজ সম্মেলন ও প্রদর্শনী’: সেবার সমন্বয়ে জোর দেওয়ার তাগিদ

হালনাগাদ সময় : ০২:৩১:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

একটি উড়োজাহাজ সংস্থা যদি নির্ধারিত সময়ে হজযাত্রীদের সৌদি আরবে পৌঁছে দেয়, পরিবহন সংস্থা যদি বাস প্রস্তুত রাখে এবং মক্কার হোটেলও কক্ষ বরাদ্দ রাখে, তবুও এসব সেবার মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয়ের অভাব থাকলে চরম ভোগান্তিতে পড়তে পারেন একজন হজযাত্রী। পবিত্র হজ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এটি অন্যতম বড় একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হয়।

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভিন্ন ভিন্ন ভাষার লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মানুষ নির্দিষ্ট সময়ে একই ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালনের উদ্দেশে পবিত্র ভূমিতে সমবেত হন। দীর্ঘদিনের অপেক্ষা ও ত্যাগের পর শুরু হওয়া এই পবিত্র যাত্রায় সেবাদাতাদের কার্যকারিতার ওপরই নির্ভর করে তাদের অভিজ্ঞতা। একজন সাধারণ হজযাত্রীর কাছে চুক্তি বা নানা প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতার চেয়ে যাত্রাটি কতটা নির্বিঘ্ন ও স্বস্তিদায়ক হলো, সেটিই মুখ্য বিষয়।

মক্কা ও অন্যান্য পবিত্র স্থানে হজের সময়কার বিশাল জনসমাগম দৃশ্যমান হলেও এর পেছনের দীর্ঘ প্রস্তুতির বিষয়টি সচরাচর আড়ালেই থাকে। হজের কয়েক মাস আগে সৌদি আরব ও সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সমন্বিত সিদ্ধান্তের ওপরই পুরো ব্যবস্থাপনার সাফল্য অনেকাংশে নির্ভর করে। বিমানের অবতরণ, বিমানবন্দরের বাইরে বাসের উপস্থিতি এবং পরবর্তী গন্তব্যের আবাসন ব্যবস্থাপনার মধ্যে নিখুঁত সংযোগ না থাকলে দীর্ঘ যাত্রাশেষে আসা মানুষদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

এই প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে আগামী ৮ থেকে ১১ নভেম্বর জেদ্দায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ষষ্ঠ ‘হজ সম্মেলন ও প্রদর্শনী’। আয়োজকদের মতে, কেবল অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বা নতুন প্রযুক্তির ঘোষণার মধ্যেই এই আয়োজন সীমাবদ্ধ নয়; বরং হজ ব্যবস্থাপনায় বাস্তব ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করাই এর মূল লক্ষ্য।

২০২৭ সালের হজ মৌসুমের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সৌদি আরবের হজ ও উমরা মন্ত্রণালয় এবং ‘পিলগ্রিম এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রাম’-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ সম্মেলনে অংশ নেবে ৫২০টিরও বেশি সরকারি, বেসরকারি ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের হজবিষয়ক কার্যালয়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকবেন। বিশ্লেষকদের মতে, এসব অংশীজন একসঙ্গে বসে সেবার সমন্বয়ে কী ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছেন, তার ওপরই নির্ভর করছে ভবিষ্যৎ হজ ব্যবস্থাপনার সার্বিক সাফল্য।

Share this news as a Photo Card