বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পাঁচ দিনব্যাপী বার্ষিক সমুদ্র মহড়া বঙ্গোপসাগরে ক্ষেপণাস্ত্রের “সফল উৎক্ষেপণের” মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে। বাংলাদেশ বিমানবাহিনী, কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট মেরিটাইম সংস্থাসমূহও এই মহড়ায় অংশগ্রহণ করে।
মহড়ার সমাপনী দিনে রোববার গভীর সমুদ্রে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের চার উপদেষ্টা—জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, আসিফ নজরুল, সৈয়দা রিজোয়ানা হাসান ও আদিলুর রহমান খান। নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসানও এ সময় উপস্থিত ছিলেন। অতিথিরা ‘বানৌজা খালিদ বিন ওয়ালিদ’ জাহাজ থেকে সমাপনী দিনের মহড়া দেখেন।
পাঁচদিনের এই মহড়ায় নৌবাহিনীর ফ্রিগেট, করভেট, ওপিভি, মাইন সুইপার, পেট্রোল ক্রাফ্ট, মিসাইল বোটসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক জাহাজ এবং মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফট, হেলিকপ্টার ও বিশেষায়িত ফোর্স সোয়াডস্ অংশ নেয়। এছাড়াও বাংলাদেশ বিমানবাহিনী এবং কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট মেরিটাইম সংস্থাসমূহ এ মহড়ায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণ করে।
বিভিন্ন ধাপে পরিচালিত এ মহড়ার উল্লেখযোগ্য দিকসমূহের মধ্যে নৌ বহরের বিভিন্ন রণকৌশল অনুশীলন, সমুদ্র এলাকায় পর্যবেক্ষণ, লজিস্টিক অপারেশন, এবং উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত নৌ স্থাপনাসমূহের প্রতিরক্ষা মহড়া অন্তর্ভুক্ত ছিল। শেষদিনের মহড়ার উল্লেখযোগ্য বিষয়ের মধ্যে ছিল বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ, শোল্ডার লঞ্চড সারফেস টু এয়ার মিসাইল ফায়ারিং, অ্যান্টি এয়ার র্যাপিড ওপেন ফায়ারিং, রকেট ডেপথ্ চার্জ ফায়ারিং, ইউএভি অপারেশন, নৌ-কমান্ডোদের মহড়া, হেলিকপ্টার ভিজিট বোর্ড সার্চ অ্যান্ড সিজার এবং নৌ যুদ্ধের বিভিন্ন রণকৌশল।
রিপোর্টারের নাম 

























