ঢাকা ১২:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

তালতলীতে পাউবোর জমি দখল করে মাছের ঘের, নেপথ্যে অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশ

বরগুনার তালতলী উপজেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) প্রায় দুই একর জমি অবৈধভাবে দখল করে মাছের ঘের নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, পাউবোর কিছু অসাধু কর্মকর্তার সাথে যোগসাজশ করেই এই দখলের উৎসব চালানো হচ্ছে। উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের নলবুনিয়া এলাকায় ভেকু মেশিন দিয়ে দিনরাত মাটি খননের কাজ চললেও প্রশাসন রহস্যজনকভাবে নীরব ভূমিকা পালন করছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, স্থানীয় প্রভাবশালী কয়েকজন ব্যক্তি সরকারি জমি দখল করে বড় আকারে ঘের তৈরি করছেন। যদিও গত ১ এপ্রিল পাউবো থেকে একটি নামমাত্র নোটিশ দিয়ে মাটি কাটা বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু দখলদাররা সেই নির্দেশকে তোয়াক্কা না করেই কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয়দের দাবি, লোক দেখানো নোটিশ দিয়ে মূলত দখলদারদের সময় ও সুযোগ করে দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ মদদ ছাড়া এমন দখলদারিত্ব সম্ভব নয় বলে মনে করছেন তারা।

পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো বলছে, উপকূলীয় এলাকায় পাউবোর জমি ও বাঁধগুলো প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিরুদ্ধে ঢাল হিসেবে কাজ করে। এভাবে মাটি খনন করে ঘের তৈরি করলে বাঁধের স্থায়িত্ব নষ্ট হবে এবং লোকালয়ে লোনা পানি প্রবেশের ঝুঁকি বাড়বে। এটি জনস্বার্থের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ। তবে অভিযুক্তরা দাবি করেছেন, তারা দীর্ঘ চার দশক ধরে সেখানে বসবাস করছেন এবং লোনা পানি ঠেকাতেই সামান্য মাটি কাটছেন। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের সেনা প্রত্যাহারের হুমকির মুখেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মৈত্রীর বার্তা জার্মান চ্যান্সেলরের

তালতলীতে পাউবোর জমি দখল করে মাছের ঘের, নেপথ্যে অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশ

আপডেট সময় : ০৫:১৭:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

বরগুনার তালতলী উপজেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) প্রায় দুই একর জমি অবৈধভাবে দখল করে মাছের ঘের নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, পাউবোর কিছু অসাধু কর্মকর্তার সাথে যোগসাজশ করেই এই দখলের উৎসব চালানো হচ্ছে। উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের নলবুনিয়া এলাকায় ভেকু মেশিন দিয়ে দিনরাত মাটি খননের কাজ চললেও প্রশাসন রহস্যজনকভাবে নীরব ভূমিকা পালন করছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, স্থানীয় প্রভাবশালী কয়েকজন ব্যক্তি সরকারি জমি দখল করে বড় আকারে ঘের তৈরি করছেন। যদিও গত ১ এপ্রিল পাউবো থেকে একটি নামমাত্র নোটিশ দিয়ে মাটি কাটা বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু দখলদাররা সেই নির্দেশকে তোয়াক্কা না করেই কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয়দের দাবি, লোক দেখানো নোটিশ দিয়ে মূলত দখলদারদের সময় ও সুযোগ করে দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ মদদ ছাড়া এমন দখলদারিত্ব সম্ভব নয় বলে মনে করছেন তারা।

পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো বলছে, উপকূলীয় এলাকায় পাউবোর জমি ও বাঁধগুলো প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিরুদ্ধে ঢাল হিসেবে কাজ করে। এভাবে মাটি খনন করে ঘের তৈরি করলে বাঁধের স্থায়িত্ব নষ্ট হবে এবং লোকালয়ে লোনা পানি প্রবেশের ঝুঁকি বাড়বে। এটি জনস্বার্থের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ। তবে অভিযুক্তরা দাবি করেছেন, তারা দীর্ঘ চার দশক ধরে সেখানে বসবাস করছেন এবং লোনা পানি ঠেকাতেই সামান্য মাটি কাটছেন। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।