ঢাকা ১১:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকায় ১০০ দিন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৯:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালনের ১০০ দিন পূর্ণ করেছেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। এ উপলক্ষে এক ভিডিও বার্তায় তিনি দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। এই সময়ের মধ্যে বাণিজ্য ও স্বাস্থ্য খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অর্জিত মাইলফলকগুলোর কথা তুলে ধরেন তিনি।

রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন জানান, গত ১০০ দিনে তিনি বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকে অভাবনীয় আতিথেয়তা পেয়েছেন। তিনি দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ করেছেন এবং স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হয়েছেন। বিশেষ করে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তিটিকে তিনি ঐতিহাসিক হিসেবে অভিহিত করেন, যা উভয় দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদী।

বার্তায় তিনি আরও উল্লেখ করেন, অবৈধ অভিবাসন ও ভিসা জালিয়াতি রোধে দুই দেশ একযোগে কাজ করছে। এছাড়া স্বাস্থ্য খাতে অংশীদারত্বের মাধ্যমে যক্ষ্মা ও হামের মতো রোগ মোকাবিলা এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। একটি অবাধ ও মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ে তুলতে বাংলাদেশের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা বজায় রাখার বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি সংকট, সার ডিলার ও ‘গুপ্ত’ রাজনীতি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ

ঢাকায় ১০০ দিন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

আপডেট সময় : ০৯:৩৯:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালনের ১০০ দিন পূর্ণ করেছেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। এ উপলক্ষে এক ভিডিও বার্তায় তিনি দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। এই সময়ের মধ্যে বাণিজ্য ও স্বাস্থ্য খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অর্জিত মাইলফলকগুলোর কথা তুলে ধরেন তিনি।

রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন জানান, গত ১০০ দিনে তিনি বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকে অভাবনীয় আতিথেয়তা পেয়েছেন। তিনি দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ করেছেন এবং স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হয়েছেন। বিশেষ করে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তিটিকে তিনি ঐতিহাসিক হিসেবে অভিহিত করেন, যা উভয় দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদী।

বার্তায় তিনি আরও উল্লেখ করেন, অবৈধ অভিবাসন ও ভিসা জালিয়াতি রোধে দুই দেশ একযোগে কাজ করছে। এছাড়া স্বাস্থ্য খাতে অংশীদারত্বের মাধ্যমে যক্ষ্মা ও হামের মতো রোগ মোকাবিলা এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। একটি অবাধ ও মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ে তুলতে বাংলাদেশের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা বজায় রাখার বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।