মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০১:০৪ অপরাহ্ন | ২৮শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | বুধবার, ১২ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

সিলেটে হাম ও এর উপসর্গ থামছে না: চব্বিশ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু

  • হালনাগাদ সময় : ০৮:৩৩:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে

সিলেট বিভাগে হাম ও এর উপসর্গজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগটির বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে চলতি বছরে বিভাগে হামে আক্রান্ত হয়ে বা এর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ১৩৮ জনে পৌঁছাল। মঙ্গলবার সকালে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। মৃত শিশুদের মধ্যে একজন হবিগঞ্জ এবং অন্যজন সিলেট জেলার বাসিন্দা।

স্বাস্থ্য বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ১১৫ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে। একই সময়ে পরিচালিত ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় আরও নয়জনের শরীরে ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে হামের উপসর্গ নিয়ে ৩২১ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর ফলে গত কয়েক মাস ধরে চলা এই স্বাস্থ্য সংকটে হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ এখনও উল্লেখযোগ্য হারে বজায় রয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত সিলেট বিভাগে ল্যাবরেটরি টেস্টের মাধ্যমে মোট ৯৮৮ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে মারা যাওয়া ১৩৮ জনের মধ্যে ছয়জনের ক্ষেত্রে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় হাম নিশ্চিত হওয়া গিয়েছিল। বাকি ১৩২ জনকে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া সন্দেহভাজন রোগী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গত রোববার প্রকাশিত দেশব্যাপী হালনাগাদ প্রতিবেদনেও দেশের সামগ্রিক হাম পরিস্থিতির এক উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা হয়। ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত দেশজুড়ে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়ে ৯০৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৮০৯ জনের মৃত্যু হয়েছে উপসর্গভিত্তিক এবং ৯৯ জনের মৃত্যু ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় হাম নিশ্চিত হওয়ার পর। সিলেট বিভাগে দীর্ঘদিন ধরে চলা এই পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

28 October 2026

মিরপুর টেস্ট: মুমিনুলের বিদায়ে আক্ষেপ নিয়ে লাঞ্চ বিরতিতে বাংলাদেশ

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

সিলেটে হাম ও এর উপসর্গ থামছে না: চব্বিশ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু

হালনাগাদ সময় : ০৮:৩৩:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

সিলেট বিভাগে হাম ও এর উপসর্গজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগটির বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে চলতি বছরে বিভাগে হামে আক্রান্ত হয়ে বা এর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ১৩৮ জনে পৌঁছাল। মঙ্গলবার সকালে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। মৃত শিশুদের মধ্যে একজন হবিগঞ্জ এবং অন্যজন সিলেট জেলার বাসিন্দা।

স্বাস্থ্য বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ১১৫ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে। একই সময়ে পরিচালিত ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় আরও নয়জনের শরীরে ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে হামের উপসর্গ নিয়ে ৩২১ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর ফলে গত কয়েক মাস ধরে চলা এই স্বাস্থ্য সংকটে হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ এখনও উল্লেখযোগ্য হারে বজায় রয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত সিলেট বিভাগে ল্যাবরেটরি টেস্টের মাধ্যমে মোট ৯৮৮ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে মারা যাওয়া ১৩৮ জনের মধ্যে ছয়জনের ক্ষেত্রে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় হাম নিশ্চিত হওয়া গিয়েছিল। বাকি ১৩২ জনকে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া সন্দেহভাজন রোগী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গত রোববার প্রকাশিত দেশব্যাপী হালনাগাদ প্রতিবেদনেও দেশের সামগ্রিক হাম পরিস্থিতির এক উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা হয়। ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত দেশজুড়ে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়ে ৯০৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৮০৯ জনের মৃত্যু হয়েছে উপসর্গভিত্তিক এবং ৯৯ জনের মৃত্যু ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় হাম নিশ্চিত হওয়ার পর। সিলেট বিভাগে দীর্ঘদিন ধরে চলা এই পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন।

Share this news as a Photo Card