মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০১:১১ পূর্বাহ্ন | ২৯শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | বৃহঃস্পতিবার, ১৩ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

সংস্কারের অভাবে ধ্বংসের পথে বরিশালের ঐতিহ্যবাহী কলসকাঠি জমিদারবাড়ি

  • হালনাগাদ সময় : ১১:৪৮:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠিতে অবস্থিত সতেরো শতকের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী জমিদারবাড়িটি এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও সরকারি উদ্যোগের অভাবে এই অমূল্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনটি তার জৌলুস হারিয়ে বিলীন হতে চলেছে।

ইতিহাস পর্যালোচনায় জানা যায়, সতেরো শতকের শেষের দিকে জানকী বল্লভ রায় চৌধুরী এই জমিদারির পত্তন করেন। এক সময় এখানে ১৩টি জমিদার পরিবার বসবাস করত। কারুকার্যখচিত ১১টি বিশাল ভবন ও তিনটি মন্দির নিয়ে গঠিত এই স্থাপত্যশৈলী আজও দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। ভবনের দেয়ালে পোড়ামাটির নকশা, লতাপাতা ও দেব-দেবীর অবয়ব তৎকালীন আভিজাত্যের পরিচয় বহন করে। নিরাপত্তার জন্য এখানে সুড়ঙ্গপথ ও গুপ্তকক্ষও রয়েছে বলে জনশ্রুতি আছে।

বর্তমানে অযত্ন আর অবহেলায় ভবনগুলোর পলেস্তারা খসে পড়ছে এবং চারপাশ লতাগুল্মে ঢেকে গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো তদারকি না থাকায় অনেক মূল্যবান শিলালিপি ও স্থাপত্যের অংশ চুরি হয়ে যাচ্ছে। এলাকাবাসী মনে করেন, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর যদি দ্রুত এই স্থাপনাটি সংস্কার ও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়, তবে এটি দেশের অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে। প্রাচীন এই ইতিহাসকে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য টিকিয়ে রাখতে সরকারি হস্তক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢামেকে ৭ দিনের জন্য বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের ধর্মঘট স্থগিত

28 October 2026

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতেই হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

সংস্কারের অভাবে ধ্বংসের পথে বরিশালের ঐতিহ্যবাহী কলসকাঠি জমিদারবাড়ি

হালনাগাদ সময় : ১১:৪৮:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠিতে অবস্থিত সতেরো শতকের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী জমিদারবাড়িটি এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও সরকারি উদ্যোগের অভাবে এই অমূল্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনটি তার জৌলুস হারিয়ে বিলীন হতে চলেছে।

ইতিহাস পর্যালোচনায় জানা যায়, সতেরো শতকের শেষের দিকে জানকী বল্লভ রায় চৌধুরী এই জমিদারির পত্তন করেন। এক সময় এখানে ১৩টি জমিদার পরিবার বসবাস করত। কারুকার্যখচিত ১১টি বিশাল ভবন ও তিনটি মন্দির নিয়ে গঠিত এই স্থাপত্যশৈলী আজও দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। ভবনের দেয়ালে পোড়ামাটির নকশা, লতাপাতা ও দেব-দেবীর অবয়ব তৎকালীন আভিজাত্যের পরিচয় বহন করে। নিরাপত্তার জন্য এখানে সুড়ঙ্গপথ ও গুপ্তকক্ষও রয়েছে বলে জনশ্রুতি আছে।

বর্তমানে অযত্ন আর অবহেলায় ভবনগুলোর পলেস্তারা খসে পড়ছে এবং চারপাশ লতাগুল্মে ঢেকে গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো তদারকি না থাকায় অনেক মূল্যবান শিলালিপি ও স্থাপত্যের অংশ চুরি হয়ে যাচ্ছে। এলাকাবাসী মনে করেন, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর যদি দ্রুত এই স্থাপনাটি সংস্কার ও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়, তবে এটি দেশের অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে। প্রাচীন এই ইতিহাসকে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য টিকিয়ে রাখতে সরকারি হস্তক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।

Share this news as a Photo Card