মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
১২:১৬ পূর্বাহ্ন | ৩০শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | শুক্রবার, ১৪ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে ৩০টি দেশ

  • হালনাগাদ সময় : ০৭:৪৩:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তালিকায় দেশের সংখ্যা ৩০টির বেশি হতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টি নোওম। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) ফক্স নিউজে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি।

ট্রাম্প প্রশাসনের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার তালিকায় ৩২টি দেশ থাকবে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি সুনির্দিষ্ট সংখ্যা বলব না। তবে এটি ৩০-এর বেশি এবং প্রেসিডেন্ট বিভিন্ন দেশের মূল্যায়ন চালিয়ে যাচ্ছেন।

গত জুনে প্রজ্ঞাপন জারি করে ১২টি দেশের নাগরিককে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা এবং আরও সাতটি দেশের নাগরিকদের ওপর সীমিত বিধিনিষেধ আরোপ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বলা হয়, “বিদেশি সন্ত্রাসী” ও অন্যান্য নিরাপত্তা ঝুঁকি ঠেকাতে এই পদক্ষেপ প্রয়োজন। অভিবাসী, পর্যটক, শিক্ষার্থী এবং ব্যবসায়িক ভ্রমণকারীদের মতো নন-ইমিগ্র্যান্টদের ওপরও ওই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য।

অবশ্য, সম্ভাব্য দেশগুলোর নাম উল্লেখ করেননি ক্রিস্টি নোওম।

তিনি বলেন, যদি কোনও দেশের স্থিতিশীল সরকার না থাকে, নিজেদের নাগরিকদের পরিচয় নিশ্চিত করতে না পারে বা আমাদের ভেটিং প্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে না পারে, তাহলে কেন আমরা তাদের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেব!

রয়টার্সের আগের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি অভ্যন্তরীণ কেবলের বরাতে ট্রাম্প প্রশাসন বাড়তি ৩৬টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার বিষয়টি বিবেচনা করছে।

তালিকা সম্প্রসারণ হলে এটি অভিবাসন নীতিতে প্রশাসনের আরও কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হবে। গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন ডিসিতে দুই ন্যাশনাল গার্ড সদস্যকে গুলি করে হত্যার ঘটনার পর এ ধরনের উদ্যোগ আরও জোরদার হয়েছে।

তদন্তকারীরা বলেছেন, হামলাটি একজন আফগান নাগরিক করেছিলেন, যিনি ২০২১ সালে একটি পুনর্বাসন কর্মসূচির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন।

এরপর ট্রাম্প ঘোষণা করেন, তিনি তৃতীয় দেশগুলো থেকে সব ধরনের অভিবাসন স্থায়ীভাবে স্থগিত করবেন। যদিও তিনি কোনও দেশের নাম উল্লেখ করেননি।

এর আগে স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, ট্রাম্প বাইডেন প্রশাসনের সময় অনুমোদিত আশ্রয় আবেদন এবং ১৯টি দেশের নাগরিকদের দেওয়া গ্রিন কার্ডগুলো পুনর্বিবেচনার নির্দেশ দিয়েছেন।

সূত্র: রয়টার্স

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

আসামি হাজিরা ডিজিটাল করা গেলে যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে: আইনমন্ত্রী

29 October 2026

শাহজালালে দুই চীনা যাত্রীর অন্তর্বাসে মিলল ২৪ কোটি টাকার সোনা

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে ৩০টি দেশ

হালনাগাদ সময় : ০৭:৪৩:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তালিকায় দেশের সংখ্যা ৩০টির বেশি হতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টি নোওম। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) ফক্স নিউজে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি।

ট্রাম্প প্রশাসনের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার তালিকায় ৩২টি দেশ থাকবে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি সুনির্দিষ্ট সংখ্যা বলব না। তবে এটি ৩০-এর বেশি এবং প্রেসিডেন্ট বিভিন্ন দেশের মূল্যায়ন চালিয়ে যাচ্ছেন।

গত জুনে প্রজ্ঞাপন জারি করে ১২টি দেশের নাগরিককে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা এবং আরও সাতটি দেশের নাগরিকদের ওপর সীমিত বিধিনিষেধ আরোপ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বলা হয়, “বিদেশি সন্ত্রাসী” ও অন্যান্য নিরাপত্তা ঝুঁকি ঠেকাতে এই পদক্ষেপ প্রয়োজন। অভিবাসী, পর্যটক, শিক্ষার্থী এবং ব্যবসায়িক ভ্রমণকারীদের মতো নন-ইমিগ্র্যান্টদের ওপরও ওই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য।

অবশ্য, সম্ভাব্য দেশগুলোর নাম উল্লেখ করেননি ক্রিস্টি নোওম।

তিনি বলেন, যদি কোনও দেশের স্থিতিশীল সরকার না থাকে, নিজেদের নাগরিকদের পরিচয় নিশ্চিত করতে না পারে বা আমাদের ভেটিং প্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে না পারে, তাহলে কেন আমরা তাদের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেব!

রয়টার্সের আগের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি অভ্যন্তরীণ কেবলের বরাতে ট্রাম্প প্রশাসন বাড়তি ৩৬টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার বিষয়টি বিবেচনা করছে।

তালিকা সম্প্রসারণ হলে এটি অভিবাসন নীতিতে প্রশাসনের আরও কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হবে। গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন ডিসিতে দুই ন্যাশনাল গার্ড সদস্যকে গুলি করে হত্যার ঘটনার পর এ ধরনের উদ্যোগ আরও জোরদার হয়েছে।

তদন্তকারীরা বলেছেন, হামলাটি একজন আফগান নাগরিক করেছিলেন, যিনি ২০২১ সালে একটি পুনর্বাসন কর্মসূচির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন।

এরপর ট্রাম্প ঘোষণা করেন, তিনি তৃতীয় দেশগুলো থেকে সব ধরনের অভিবাসন স্থায়ীভাবে স্থগিত করবেন। যদিও তিনি কোনও দেশের নাম উল্লেখ করেননি।

এর আগে স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, ট্রাম্প বাইডেন প্রশাসনের সময় অনুমোদিত আশ্রয় আবেদন এবং ১৯টি দেশের নাগরিকদের দেওয়া গ্রিন কার্ডগুলো পুনর্বিবেচনার নির্দেশ দিয়েছেন।

সূত্র: রয়টার্স

Share this news as a Photo Card