সন্তান জন্মের পর একজন মায়ের জীবন আমূল বদলে গেলেও বাবার জীবনে তার বিশেষ কোনো প্রভাব পড়ে না—সমাজের এই প্রচলিত মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বলিউড অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়া। তার সাফ বক্তব্য, সন্তানকে বড় করে তোলার দায়িত্ব কেবল মায়ের নয়, বাবা ও মা দুজনেরই সমান অংশগ্রহণ থাকা উচিত।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মাতৃত্ব ও পরিবারে দায়িত্ব ভাগাভাগি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন এই অভিনেত্রী। তিনি বলেন, সমাজে এখনো মনে করা হয় মা-ই সন্তানের একমাত্র বা প্রধান অভিভাবক। সন্তানের জন্য যাবতীয় ত্যাগ ও পরিবর্তন যেন মাকেই একা সইতে হবে, যেখানে বাবার ভূমিকা খুব একটা গুরুত্ব পায় না—এই দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন হওয়া প্রয়োজন।
পরিণীতি যুক্তি তুলে ধরে বলেন, সন্তান যখন দুজনের, তখন দায়িত্বও সমানভাবে বণ্টন হওয়া উচিত। গর্ভাবস্থা, সন্তান জন্মদান এবং প্রসব-পরবর্তী শারীরিক ধকল একজন মাকেই সহ্য করতে হয়। এই সংবেদনশীল সময়ে মায়ের পরিচর্যার পাশাপাশি শিশুর যত্ন ও পারিবারিক কাজে বাবারও পূর্ণ সক্রিয়তা প্রত্যাশিত।
অভিনেত্রীর মতে, কোন দম্পতি কীভাবে দায়িত্ব ভাগ করবেন তা সমাজ নির্ধারণ করে দিতে পারে না। তবে সন্তান পালনের সমস্ত চেষ্টা ও চাপ যেন একা মায়ের ওপর না বর্তায়, সে বিষয়ে পারিবারিক সচেতনতা জরুরি।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের অক্টোবরে পরিণীতি চোপড়া ও রাজনীতিবিদ রাঘব চাড্ডার ঘরে এক পুত্রসন্তানের আগমন ঘটে। মাতৃত্বের জন্য কিছুদিনের বিরতি নিয়ে পরিণীতি আবারও অভিনয়ে ফিরেছেন এবং ওটিটিসহ বেশ কয়েকটি নতুন প্রকল্পে যুক্ত হয়েছেন।
























